অনেক ক্ষেত্রে মানুষের ইখলাস ও নিয়তের বিশুদ্ধতার কারণেই সে এমন আমলের সওয়াব পেয়ে যায়, যা করার সামর্থ্য তার ছিল না। হাদিস শরিফে ইরশাদ হয়েছে, আবু কাবশা আল-আনমারী (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, এ উম্মতের দৃষ্টান্ত চার ব্যক্তি সদৃশ। (১) এক ব্যক্তিকে আল্লাহ ধন-সম্পদ ও জ্ঞান দান করেছেন এবং সে তার জ্ঞান দ্বারা তার মাল ব্যবহার করে, যথার্থ খাতে তা ব্যয় করে। (২) এক ব্যক্তিকে আল্লাহ জ্ঞান দান করেছেন, কিন্তু সম্পদ দান করেননি। সে বলে, ওই ব্যক্তির অনুরূপ আমার সম্পদ থাকলে আমি তার মতো তা কাজে লাগাতাম। রাসুলুল্লাহ (সা.) বললেন, এ দুজন সমান পুরস্কার লাভের অধিকারী। (৩) এক ব্যক্তিকে আল্লাহ সম্পদ দান করেছেন, কিন্তু জ্ঞান দান করেননি। সে তার মালে ভ্রান্তনীতি গ্রহণ করে, তা অন্যায় পথে ব্যয় করে। (৪) এক ব্যক্তিকে আল্লাহ জ্ঞান ও সম্পদ কোনোটাই দান করেননি। সে বলে, তার অনুরূপ আমার সম্পদ থাকলে তার মতো (ভ্রান্ত) কাজে লাগাতাম। রাসুলুল্লাহ (সা.) বললেন, এই দুই ব্যক্তি সমান অপরাধী। (ইবনে মাজাহ, হাদিস : ৪২২৮)
অতএব মুমিনের উচিত, তার সাধ্য অনুযায়ী মহান আল্লাহকে খুশি রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টা করা।