• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৩৬ পূর্বাহ্ন
Headline
নলডাঙ্গায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত, গুরুত্ব পেল জনসচেতনতা যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী মাহমুদুল আলমের উদ্যোগে প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইল চেয়ার, সেলাই মেশিন ও ক্রাচ বিতরণ সান্তাহার পৌর যুবদলের উদ্যোগে নানা আয়োজনে ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত দুই বছরের মধ্যে স্বাস্থ্যখাতে আমূল পরিবর্তনের লক্ষ্য: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাংলাদেশের ৫ অগ্রাধিকার খাতে জাপানি বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে উদ্যোক্তা সৃষ্টিতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে: রাষ্ট্রপতি  বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সম্প্রসারণে সুইজারল্যান্ডের প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী  বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে আগ্রহী জাপান উন্নত বাংলাদেশ গড়তে প্রবাসী-দেশবাসীকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

জিলহজের চাঁদ উঠার আগে বিশেষ আমল

নিজস্ব প্রতিবেদক / ১০৭ Time View
Update : রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬

 ছবি সংগৃহীত

আজ জিলকদ মাসের ২৮ তারিখ। আগামীকালই হতে পারে জিলকদ মাসের শেষ দিন।

এ সময়টি প্রতিটি মুমিনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই সময় থেকেই জিলহজ মাসের গুরুত্বপূর্ণ আমল শুরু হয়। আমরা জানি, কোরবানি একটি আর্থিক ইবাদত। ১০ থেকে ১২ জিলহজ সূর্যাস্ত পর্যন্ত সময়ের মধ্যে কারো কাছে নিসাব পরিমাণ সম্পদ থাকলেই তার ওপর কোরবানি ওয়াজিব; যার বিনিময়ে মহান আল্লাহ তাঁর প্রিয় বান্দাদের অগণিত সওয়াব প্রদানের ঘোষণা দিয়েছেন।
তাই কারো কারো মনে হতে পারে, এটি শুধু ধনীদের ঈদ। আর্থিকভাবে অসচ্ছলরা তো কোরবানি দেওয়ার সামর্থ্য রাখে না। তারা এই সওয়াব কিভাবে অর্জন করবে? মহান আল্লাহ এতটাই দয়ালু যে তিনি ধনী-গরিব সবার জন্যই কোরবানির সওয়াব লাভের সুব্যবস্থা রেখেছেন। রাসুলুল্লাহ (সা.) উম্মতকে জিলহজ মাসের চাঁদ উঠার আগ থেকে প্রস্তুতি নেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন।
যদি কেউ সে অনুযায়ী আমল করে, তবে সেও কোরবানির পূর্ণ বরকত অর্জন করতে পারবে। তা হলো, জিলহজের চাঁদ দেখার পর থেকে কোরবানির আগ পর্যন্ত নিজের নখ, চুল, গোঁফ, নাভির নিচের পশম ইত্যাদি কাটা থেকে বিরত থাকা। হজরত উম্মে সালমা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা যদি জিলহজ মাসের চাঁদ দেখতে পাও আর তোমাদের কেউ কোরবানি করার ইচ্ছা করে, তবে সে যেন স্বীয় চুল ও নখ কাটা থেকে বিরত থাকে।’ (মুসলিম, হাদিস : ১৯৭৭)

  যারা কোরবানি করতে সক্ষম নয় তারাও এই আমল পালন করতে পারে। অর্থাৎ নিজের চুল, নখ, গোঁফ ইত্যাদি কাটা থেকে বিরত থাকবে।
উক্ত হাদিসে রাসুল (সা.) কোরবানি করতে অসক্ষম ব্যক্তিরাও যেন সচ্ছল মুসলমানদের সঙ্গে কোরবানির ঈদের পরিপূর্ণ ফজিলত অর্জন করতে পারে, সেই রাস্তা বাতলে দিয়েছেন। অনুরূপভাবে হাজিদের সাদৃশ্য অবলম্বনকারী হবে। মহান আল্লাহ এতটাই মহান যে তিনি তাঁর কোনো বান্দাকেই নৈরাশ করেননি। অর্থ-সম্পদ না থাকলেও ধনীদের সমপরিমাণ সওয়াব অর্জনের জন্য বিকল্প রাস্তা রেখে দিয়েছেন।

অনেক ক্ষেত্রে মানুষের ইখলাস ও নিয়তের বিশুদ্ধতার কারণেই সে এমন আমলের সওয়াব পেয়ে যায়, যা করার সামর্থ্য তার ছিল না। হাদিস শরিফে ইরশাদ হয়েছে, আবু কাবশা আল-আনমারী (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, এ উম্মতের দৃষ্টান্ত চার ব্যক্তি সদৃশ। (১) এক ব্যক্তিকে আল্লাহ ধন-সম্পদ ও জ্ঞান দান করেছেন এবং সে তার জ্ঞান দ্বারা তার মাল ব্যবহার করে, যথার্থ খাতে তা ব্যয় করে। (২) এক ব্যক্তিকে আল্লাহ জ্ঞান দান করেছেন, কিন্তু সম্পদ দান করেননি। সে বলে, ওই ব্যক্তির অনুরূপ আমার সম্পদ থাকলে আমি তার মতো তা কাজে লাগাতাম। রাসুলুল্লাহ (সা.) বললেন, এ দুজন সমান পুরস্কার লাভের অধিকারী। (৩) এক ব্যক্তিকে আল্লাহ সম্পদ দান করেছেন, কিন্তু জ্ঞান দান করেননি। সে তার মালে ভ্রান্তনীতি গ্রহণ করে, তা অন্যায় পথে ব্যয় করে। (৪) এক ব্যক্তিকে আল্লাহ জ্ঞান ও সম্পদ কোনোটাই দান করেননি। সে বলে, তার অনুরূপ আমার সম্পদ থাকলে তার মতো (ভ্রান্ত) কাজে লাগাতাম। রাসুলুল্লাহ (সা.) বললেন, এই দুই ব্যক্তি সমান অপরাধী। (ইবনে মাজাহ, হাদিস : ৪২২৮)
অতএব মুমিনের উচিত, তার সাধ্য অনুযায়ী মহান আল্লাহকে খুশি রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টা করা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category