সুধী সমাবেশে জামায়াত আমির পূর্ববর্তী সরকারের তীব্র সমালোচনা করে অভিযোগ করেন, নির্বাচন-পূর্ববর্তী সময়ে আমেরিকার সাথে বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় চুক্তির বিষয়ে তৎকালীন সরকার জামায়াতসহ দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোকে সম্পূর্ণ অন্ধকারে রেখেছিল এবং কিছুই জানায়নি। রংপুর অঞ্চলের সামগ্রিক উন্নয়ন নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, রংপুর অঞ্চলকে অগ্রাহ্য বা অবহেলা করে বাংলাদেশের প্রকৃত অর্থনৈতিক অগ্রগতি কখনোই সম্ভব নয়। এই অঞ্চলের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে তিস্তা মহাপরিকল্পনা ও তিস্তা চুক্তির বিষয়ে জামায়াতে ইসলামী সর্বদা আন্তরিক থাকবে এবং আগামী দিনগুলোতে রংপুরের অধিকার আদায়ে মাঠ পর্যায়ে সোচ্চার ভূমিকা পালন করবে।
বক্তব্যে দেশের ৪২টি জায়গায় বিএনপির দলীয় প্রশাসক নিয়োগ প্রক্রিয়ার তীব্র সমালোচনা করেন সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দেশ যখন একটি সুন্দর গণতান্ত্রিক ধারায় ফেরার চেষ্টা করছে, ঠিক সেই মুহূর্তে বিএনপি দেশের ৪২টি গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় নিজেদের দলীয় লোকদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দিল। অথচ এদের মধ্যে বেশিরভাগ ব্যক্তিই বিগত নির্বাচনে জনগণের ম্যান্ডেট না পেয়ে পরাজিত হয়েছিলেন। অন্তর্বর্তী সরকারকে হুঁশিয়ারি দিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জনগণের মত ও আকাঙ্ক্ষার বিরুদ্ধে গিয়ে কোনো অন্যায্য কাজ করলে জামায়াত কাউকে কোনো ধরনের ছাড় দেবে না। সরকার যদি ভালো কাজ করে তবে জামায়াতের শতভাগ সহযোগিতা থাকবে, কিন্তু কোনো মন্দ বা পক্ষপাতমূলক কাজ করলে তার দল রাজপথে কঠোর বিরোধিতা করবে।







