তিনি বলেন, নির্বাচনের পূর্বে আমরা খালন খননের কথা বলেছি। কারণ খাল খননের মধ্যদিয়ে কৃষক ভাইয়েরা উপকৃত হবে। কৃষকরা উপকৃত হলে, তারা ধীরে ধীরে স্বাবলম্বী হবে। কৃষকদের উন্নতি হলে এদেশের অর্থনীতি মজবুত হবে।
ফ্যামিলি কার্ড সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটিও আমরা নির্বাচনের পূর্বে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম। এর মাধ্যমে আমরা নারীদের স্বাবলম্বী করতে চাই। এই কার্ডের মাধ্যমে প্রতিমাসে একজন মা আড়াই হাজার টাকা পাবে। এই টাকা দিয়ে পরিবারের সন্তানদের যত্ন ও স্বাস্থ্য সেবায় কাজে লাগাতে পারবে। অন্তর্বর্তী সরকারের বাজেট থেকে এই কার্ড দেয়া হচ্ছে। আগামী বাজেটে আরো বৃদ্ধি করা হবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের অর্ধেক নারী। দেশনেত্রী পূর্বে নারীদের শিক্ষার উন্নয়নে কাজ করেছেন। তিনি উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত মেয়েদের বিনামূল্যে পড়ার ব্যবস্থা করেছিলেন। আমাদের সরকার স্নাতক পর্যন্ত বিনামূল্যে পড়ার ব্যবস্থা করবে এবং এর মধ্যে যারা মেধাবি তাদেরকে সরকারের পক্ষ থেকে উপবৃত্তির দেয়ার ব্যবস্থা করা হবে। এর কারণ হচ্ছে নারীদের স্বাবলম্বী না করে দেশকে এগিয়ে নেয়া সম্ভব না।
তিনি আরও বলেন, বিএনপি সরকারের প্রতিশ্রুতি ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, খাল খনন, তরুণ সমাজকে শিক্ষিত ও প্রশিক্ষিত করে বিদেশে যাওয়ার ব্যবস্থা এবং দেশে তাদের কর্মসংস্থান তৈরী করতে পারি, তাহলেই শহীদদের আত্মত্যাগের মর্যাদা দেয়া সম্ভব হবে।
প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত সকলের উদ্দেশ্যে করে বলেন, আজকের এই খাল খনন অনুষ্ঠান থেকে প্রতিজ্ঞা করি, প্রতিজ্ঞা হচ্ছে এই দেশকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। আমরা হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করতে হবে। বাংলাদেশের বিশ কোটি মানুষের চল্লিশ কোটি হাত। এই চল্লিশ কোটি হাত একসাথে কাজ করলে আমরা বাংলাদেশকে বিশ্বের বুকে একটি মর্যাদাশীল দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে পারবো।







