নওগাঁর নিয়ামতপুরে ধারের ১০০ টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে মারপিটে সুনিল পাহান (৫০) নামের এক জনের মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। শুক্রবার (১৫মে) সকালে
খবর পেয়ে নিয়ামতপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত প্রসেনজিৎ পাহান পলাতক রয়েছেন।
তবে এঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য জংলি পাহান নামের একজনকে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। বিষয়টি বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে মুঠোফোনে নিশ্চিত করেন থানার ওসি মাহবুবুর রহমান।
এর আগে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১২ টা থেকে রাত ১ টার দিকে উপজেলার রসূলপুর ইউনিয়নের কাঁকসা আদিবাসী পাড়ায় এই ঘটনা ঘটে।
নিহত সুনীল পাহান কাঁকসা গ্রামের বগা পাহানের ছেলে। অভিযুক্ত প্রসেনজিৎ পাহান পাশ্ববর্তী মান্দা উপজেলার কালাচিতা গ্রামের নিপেন পাহানের ছেলে। তারা উভয়েই আদিবাসী সম্প্রদায়ের সদস্য। বিয়ের পর সে ওই গ্রামে তার শশুর বাড়িতে ঘরজামাই থাকত।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রসেনজিৎ পাহানের কাছ থেকে সুনীল পাহান ১০০টাকা ধার নিয়েছিল।
বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় ধারের সেই ১০০ টাকা নিয়ে সুনীল পাহান ও প্রসেনজিৎ পাহানের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে বিরোধ তীব্র আকার ধারণ করলে উভয়ের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে। এসময় প্রসেনজিৎ পাহান পাশে পড়ে থাকা একটি বাঁশের লাঠি দিয়ে সুনীল পাহানের মাথায় আঘাত করেন বলে অভিযোগ ওঠে। এতে গুরুতর আহত হন সুনীল। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত চিকিৎসার জন্য নাচোল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেন। তবে পথিমধ্যেই তার মৃত্যু হয় বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে।
এ বিষয়ে নিয়ামতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মাহবুবুর রহমান বলেন, আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। এ ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত পলাতক রয়েছে। তাকে আটকের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। তবে জংলি পাহান নামে একজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।