• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৩০ অপরাহ্ন
Headline
প্রাথমিকে ৯৩, মাধ্যমিকের ৫৭ শতাংশ বই ছাপা শেষ, নভেম্বরে শতভাগ সরবরাহের লক্ষ্য ৪ বছরে ২ কোটি ৪০ লাখ কৃষক কার্ড দেবে সরকার ইউপি নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘনে প্রার্থিতা বাতিল, সর্বোচ্চ ২ বছরের কারাদণ্ড জাপানে টয়োটার মোতোমাচি কারখানা পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী ডিএফওর বিরুদ্ধে অর্থ ছাড় না দেওয়ার অভিযোগ, পাঁচ মাস ধরে ভাতা বন্ধ লাউয়াছড়ার কর্মীদের তুরাগ নদ থেকে বিমান বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার অস্তিত্ব হারানোর পথে আড়িয়াল খাঁ, ময়নাকাটা বিশ্ববাজারে আবার কমল জ্বালানি তেলের দাম বিদায়ের ক্ষণ গুনছেন নেতানিয়াহু নওগাঁর নিয়ামতপুরে আরডিআরএস বাংলাদেশের উদ্যোগে সাড়ে ৭ হাজার গাছের চারা বিতরণ

নির্বাচিত হলে ইউএনজিএ’র ‘পূর্ণকালীন সভাপতি’ হওয়ার অঙ্গীকার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

কূটনৈতিক প্রতিবেদক বর্তমান বাংলাদেশ / ১২৩ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬

সংলাপে অংশ নিয়ে খলিলুর রহমান বলেন, নির্বাচিত হলে তিনি কোনো পক্ষের নন, হবেন সবার জন্য সমানভাবে গ্রহণযোগ্য একজন নিরপেক্ষ ও নিবেদিতপ্রাণ সভাপতি। জাতিসংঘ সনদ সমুন্নত রাখা, ছোট দেশগুলোর কণ্ঠস্বর জোরালো করা এবং বৈশ্বিক মতপার্থক্যের মধ্যেও ঐকমত্য গড়ে তোলাই হবে তার প্রধান লক্ষ্য।

সভাপতি পদে নিজের ভিশন তুলে ধরতে গিয়ে তিনি বৈশ্বিক আস্থার সংকট কাটিয়ে ওঠার ওপর গুরুত্ব দেন। ছয়টি অগ্রাধিকার নির্ধারণ করেন তিনি। এর মধ্যে রয়েছে- শান্তিরক্ষা কার্যক্রম পুনরুজ্জীবিত করা, এসডিজি বাস্তবায়নের ঘাটতি কমানো, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলা, মানবাধিকার সুরক্ষা, উদীয়মান প্রযুক্তির ন্যায়সংগত ব্যবস্থাপনা এবং বহুপক্ষীয় ব্যবস্থার সংস্কার।

বাংলাদেশের শান্তিরক্ষা ইতিহাস তুলে ধরে তিনি বলেন, দুই লাখের বেশি শান্তিরক্ষীর অভিজ্ঞতা বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের অবস্থানকে শক্তিশালী করেছে। একই সঙ্গে শান্তিরক্ষা মিশনে নারীর অংশগ্রহণ বাড়ানো, বেসামরিক সুরক্ষা এবং রাজনৈতিক সমাধানের ওপরও জোর দেন তিনি।

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) নিয়ে কঠোর বাস্তবতার কথা তুলে ধরে খলিলুর রহমান সতর্ক করেন। বলেন, অর্থায়নের ঘাটতি ও জ্বালানি নিরাপত্তাহীনতা যদি মোকাবিলা না করা যায়, তবে বিশ্বে ‘উন্নয়নের হারানো দশক’ তৈরি হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, এলডিসি, এলএলডিসি, সিডস এবং মধ্যম আয়ের দেশগুলোর বিশেষ প্রয়োজনকে গুরুত্ব দিয়ে বৈশ্বিক উন্নয়ন কাঠামোকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক করতে হবে।

জলবায়ু ইস্যুতে তিনি বিদ্যমান প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন, ক্ষয়ক্ষতি তহবিলকে কার্যকর করা এবং বিজ্ঞানভিত্তিক সমুদ্র ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে জীববৈচিত্র্য রক্ষার আহ্বান জানান। মানবাধিকার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মানবাধিকার ব্যবস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় না থাকলে সুরক্ষা কার্যকর হয় না। একই সঙ্গে রোহিঙ্গা সংকটের প্রসঙ্গ টেনে মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত ১২ লাখ মানুষের আশ্রয় দেয়ার বাংলাদেশের অভিজ্ঞতাও তুলে ধরেন তিনি। উদীয়মান প্রযুক্তি নিয়েও সতর্ক অবস্থান জানান তিনি। এআই ও বিগ ডেটার ক্ষেত্রে ন্যায়সংগত ও বিচক্ষণ বৈশ্বিক শাসন কাঠামো গড়ে তোলার ওপর জোর দেন খলিলুর রহমান।

সবশেষে তিনি বলেন, নির্বাচিত হলে তিনি হবেন একজন পূর্ণকালীন, নিরপেক্ষ ও ঐকমত্যের সভাপতি। যিনি জাতিসংঘের সব অঙ্গসংস্থার মধ্যে সমন্বয় বাড়াতে কাজ করবেন। আগামী ২ জুন নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে ভোটের মাধ্যমে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আর ৮ সেপ্টেম্বর শুরু হবে ইউএনজিএর ৮১তম অধিবেশন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category