কয়েক দিনের টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা ও হবিগঞ্জ জেলার হাওর-সংলগ্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়। গত ২৪ ঘণ্টায় উল্লেখযোগ্য বৃষ্টিপাত না হওয়ায় পরিস্থিতি আগের দিনের তুলনায় উন্নতির দিকে বলে জানিয়েছেন বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী মঞ্জুর রহমান। তিনি বলেন, সার্বিকভাবে বন্যা পরিস্থিতি আগের দিনের তুলনায় ভালো। যদিও তিন জেলার হাওর-সংলগ্ন নিম্নাঞ্চল এখনও প্লাবিত রয়েছে।
কেন্দ্র জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সুরমা-কুশিয়ারা, ধনু-বাউলাই ও ভুগাই-কংস নদীর পানি সমতল কমেছে। আগামী তিন দিনও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন নদীর পানি কমতে বা স্থিতিশীল থাকতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
ধনু-বাউলাই ও মগরা নদীর পানিও স্থিতিশীল থাকতে পারে বলে জানিয়েছে কেন্দ্র। ফলে নেত্রকোনার হাওরাঞ্চলে পরিস্থিতির আরও উন্নতি হতে পারে।
হবিগঞ্জ জেলার সুতাং নদীর পানি আগামী তিন দিন কমতে পারে। পাশাপাশি মনু, খোয়াই ও জুড়ি নদীর পানিও স্থিতিশীল থাকতে পারে বলে পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে সুতাং অববাহিকার হাওর এলাকায় বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে।
বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর ও বৈশ্বিক আবহাওয়া সংস্থাগুলোর তথ্যের বরাত দিয়ে বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র জানিয়েছে, আগামী দুই দিন এই অঞ্চলে মাঝারি থেকে মাঝারি-ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। তৃতীয় দিনে বৃষ্টিপাত কিছুটা কমে হালকা থেকে মাঝারি পর্যায়ে থাকতে পারে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে লঘুচাপের বর্ধিতাংশ। আজ সোমবারের মধ্যে দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে।