• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪৬ অপরাহ্ন
Headline
নলডাঙ্গায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত, গুরুত্ব পেল জনসচেতনতা যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী মাহমুদুল আলমের উদ্যোগে প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইল চেয়ার, সেলাই মেশিন ও ক্রাচ বিতরণ সান্তাহার পৌর যুবদলের উদ্যোগে নানা আয়োজনে ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত দুই বছরের মধ্যে স্বাস্থ্যখাতে আমূল পরিবর্তনের লক্ষ্য: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাংলাদেশের ৫ অগ্রাধিকার খাতে জাপানি বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে উদ্যোক্তা সৃষ্টিতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে: রাষ্ট্রপতি  বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সম্প্রসারণে সুইজারল্যান্ডের প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী  বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে আগ্রহী জাপান উন্নত বাংলাদেশ গড়তে প্রবাসী-দেশবাসীকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

এক মাসে এক ডজন ডিমে দাম বেড়েছে ৩০–৪০ টাকা, সবজি–মাছ–মাংসও চড়া

Reporter Name / ৮৯ Time View
Update : শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬

বাজারে ফার্মের মুরগির ডিমের দাম আরও বেড়েছে। গত এক সপ্তাহে প্রতি ডজন ডিমের দাম বেড়েছে ১০ টাকা। আর এক মাসের কম সময়ের মধ্যে ডজনে দাম বেড়েছে ৩০–৪০ টাকা। ডিম ছাড়াও বাজারে বাড়তি রয়েছে সবজি, বিভিন্ন ধরনের মাছ, মুরগি ও মাংসের দাম।

বিক্রেতারা জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক বৃষ্টির কারণে বাজারে সবজির সরবরাহ কমেছে। এ সময়ে বেড়েছে ডিমের চাহিদা। সেই সঙ্গে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধিরও প্রভাব পড়েছে এসব পণ্যের দামে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেট, টাউন হল বাজার ও কারওয়ান বাজারে খোঁজ নিয়ে এসব তথ্য জানা গেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, গতকাল রাজধানীর তিনটি বাজারে ফার্মের মুরগির বাদামি রঙের প্রতি ডজন ডিম ১৪০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। পাড়া–মহল্লার দোকানে এই ডিম বিক্রি হয়েছে ১৪৫ টাকা দরে। আর ফার্মের মুরগির সাদা রঙের ডিম বিক্রি হয়েছে ১৩০ টাকায়। এক সপ্তাহ আগে ডিমের দাম ডজনে ১০ টাকা করে কম ছিল। আর সপ্তাহ তিনেক আগে ডিমের ডজন ছিল ১০০-১১০ টাকা। অর্থাৎ এক মাসের কম সময়ের মধ্যে এক ডজন ডিমে দাম বেড়েছে ৩০–৪০ টাকা।

বাজারে সবজির দামও চড়া। ৬০ টাকার নিচে কোনো সবজি কেনা যায় না বললেই চলে। টাউন হল বাজারের সবজি বিক্রেতা আল–নাহিয়ান বলেন, বৃষ্টির কারণে বিভিন্ন এলাকা থেকে সবজি কিছুটা কম আসছে। আবার তেলের দাম বাড়ায় সবজির ট্রাকের ভাড়াও বেড়েছে। এই দুই কারণে সবজির দাম বাড়তি।

এক মাসের বেশি সময় ধরে বাজারে চড়া দামে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে। গতকাল প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হয়েছে ১৯০ থেকে ২০০ টাকায়, যা আগে ছিল ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা। অন্যদিকে গতকাল প্রতি কেজি সোনালি মুরগি ৩৫০-৩৬০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। আর কালারবার্ড বা হাইব্রিড সোনালি বিক্রি হয়েছে ৩২০-৩৩০ টাকায়। বাজারে গরুর মাংসের দাম কেজিতে ৫০ টাকা বেড়ে ৮০০–৮৫০ টাকা হয়েছে।

এক মাসের কম সময়ের মধ্যে এক ডজন ডিমে দাম বেড়েছে ৩০–৪০ টাকা। বাজারে সবজির দামও চড়া। ৬০ টাকার নিচে কোনো সবজি কেনা যায় না বললেই চলে।

পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে প্রায় তিন মাস ধরে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহ–সংকট ছিল। দেড় সপ্তাহ আগে দেশে বোতলজাত ও খোলা সয়াবিন তেলের দাম লিটারে চার টাকা বাড়ানো হয়। তাতে ১ লিটারের বোতলের সয়াবিন তেলের দাম ১৯৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৯৯ টাকা করা হয়। দাম বাড়ানোর পরে বাজারে বোতলজাত সয়াবিনের সরবরাহ অনেকটা স্বাভাবিক হয়েছে।

বাজারে মাছ–মাংসের দাম বাড়লে সীমিত আয়ের মানুষেরা সবজি খাওয়া বাড়ান। কিন্তু গত দুই সপ্তাহের মধ্যে বেশির ভাগ সবজির দাম কেজিতে ১৫–৩০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। দাম বাড়ার কারণ বৃষ্টি ও পরিবহনভাড়া বৃদ্ধি।

প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হয়েছে ১৯০ থেকে ২০০ টাকায়, যা আগে ছিল ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা। অন্যদিকে গতকাল প্রতি কেজি সোনালি মুরগি ৩৫০-৩৬০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। আর কালারবার্ড বা হাইব্রিড সোনালি বিক্রি হয়েছে ৩২০-৩৩০ টাকায়। বাজারে গরুর মাংসের দাম কেজিতে ৫০ টাকা বেড়ে ৮০০–৮৫০ টাকা হয়েছে।

সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) তথ্য অনুসারে, গত এক মাসে বেগুনের দাম ৮২ শতাংশ, কাঁচা মরিচের দাম ৬৭ শতাংশ ও শসার দাম ৩০ শতাংশ বেড়েছে। হালিপ্রতি ডিমের দাম বেড়েছে ১৫ শতাংশ।

গত ১৯ এপ্রিল সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় সরকার। এর প্রভাব পড়েছে বিভিন্ন পণ্যের দামে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হিসাবে, এপ্রিল মাসে দেশে সার্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৯ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ হয়েছে। গ্রাম-শহরনির্বিশেষে সার্বিক মূল্যস্ফীতি এখন ৯ শতাংশের বেশি।

বাজারে ৩৫০ টাকার নিচে এক কেজি আকারের রুই মাছ কেনা যায় না। আকারে বড় হলে দাম হয় ৪৫০–৫০০ টাকা। পাঙাশ, তেলাপিয়া, পাবদা মাছের দামও কেজিতে ৩০–৫০ টাকা বাড়তি রয়েছে।

একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মী অমিত হাসান বলেন, ‘শীতের সময় দুই–তিন মাস জিনিসপত্রের দাম নিয়ে একটু স্বস্তিতে ছিলাম। এখন দিন যত যাচ্ছে, আমাদের খরচও তত বাড়ছে।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category