• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪৬ পূর্বাহ্ন
Headline
নলডাঙ্গায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত, গুরুত্ব পেল জনসচেতনতা যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী মাহমুদুল আলমের উদ্যোগে প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইল চেয়ার, সেলাই মেশিন ও ক্রাচ বিতরণ সান্তাহার পৌর যুবদলের উদ্যোগে নানা আয়োজনে ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত দুই বছরের মধ্যে স্বাস্থ্যখাতে আমূল পরিবর্তনের লক্ষ্য: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাংলাদেশের ৫ অগ্রাধিকার খাতে জাপানি বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে উদ্যোক্তা সৃষ্টিতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে: রাষ্ট্রপতি  বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সম্প্রসারণে সুইজারল্যান্ডের প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী  বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে আগ্রহী জাপান উন্নত বাংলাদেশ গড়তে প্রবাসী-দেশবাসীকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

আইন নেই নীতিমালা নেই তবু রাস্তায় বসানো হচ্ছে হকার

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৪৮ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬

রাজধানীর গুলিস্তানে সড়কে হকারদের বসার জন্য জায়গা চিহ্নিতকরণ। ছবি :বর্তমান বাংলাদেশ

কোনো সুস্পষ্ট নীতিমালা নেই, কোনো আইনও নেই, তবু ঢাকঢোল পিটিয়ে রাস্তায় হকার বসানো হচ্ছে। হকারদের কার্ড দেওয়া হচ্ছে, বিনিময়ে নেওয়া হচ্ছে টাকা। এই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে। বিশেষ করে গুলিস্তান এলাকায় সম্প্রতি হকারদের উচ্ছেদ করার পর অবৈধভাবে এ কাজ করা হচ্ছে।

জানা গেছে, গুলিস্তানসহ রাজধানীর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় আগে অবস্থান করা হকারদের সম্প্রতি উচ্ছেদ করা হয়। এরপর তাদের পুনর্বাসনের উদ্যোগ হিসেবে গুলিস্তানের রমনা ভবনসংলগ্ন লিংক রোড এলাকায় সাদা দাগ কেটে নির্দিষ্ট স্থান নির্ধারণ করে দেয় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। এসব নির্ধারিত স্থানে হকাররা ‘হকার কার্ড’-এর মাধ্যমে বসার অনুমতি পাচ্ছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হকার কার্ড দেওয়ার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা নেওয়া হচ্ছে। কারা এই কার্ড পাচ্ছেন, কিভাবে নির্বাচন করা হচ্ছে কিংবা এই অর্থ কোথায় যাচ্ছে—এসব বিষয়ে স্বচ্ছতা নেই। ফলে পুরো প্রক্রিয়াটি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সচেতন নাগরিক ও নগর পরিকল্পনাবিদরা।

কিন্তু কোনো নীতিমালা ছাড়াই রাস্তায় হকার বসার অনুমতি দেওয়া এ দায়িত্বের পরিপন্থি। তাদের মতে, রাস্তাঘাট জনসাধারণের চলাচলের জন্য নির্ধারিত, ব্যবসার জন্য নয়। তাই এ ধরনের সিদ্ধান্ত নগর ব্যবস্থাপনায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। একজন নগর পরিকল্পনাবিদ বলেন, ‘যখন কোনো সংস্থা নিজেই নিয়ম ভেঙে অনিয়মকে বৈধতা দেয়, তখন তা নিয়ন্ত্রণ করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। আজ যদি টাকার বিনিময়ে হকার বসার অনুমতি দেওয়া হয়, তাহলে ভবিষ্যতে তাদের সরানো আরও কঠিন হবে।’ এদিকে পথচারীরা বলছেন, হকারদের কারণে ফুটপাত ব্যবহার করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। গুলিস্তান, মতিঝিলসহ ব্যস্ত এলাকাগুলোতে হাঁটার মতো জায়গা নেই বললেই চলে। তারা দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। অন্যদিকে হকারদের একটি অংশ বলছে, জীবিকার তাগিদেই তারা রাস্তায় বসতে বাধ্য হচ্ছেন। তাদের দাবি, সিটি করপোরেশন যদি নির্দিষ্ট ও বৈধ কোনো স্থানে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করে, তাহলে তারা সেখানেই ব্যবসা করতে আগ্রহী।বিশ্লেষকরা মনে করছেন, হকার  সমস্যা সমাধানে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা জরুরি। এজন্য নির্দিষ্ট হকার জোন তৈরি, লাইসেন্স প্রদান, সময়ভিত্তিক বাণিজ্য ব্যবস্থা এবং কঠোর তদারকির মতো পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে। পাশাপাশি আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সমন্বিত উদ্যোগও প্রয়োজন। সার্বিকভাবে বলা যায়, নীতিমালা ছাড়া হকার বসার অনুমতি দেওয়া হলে তা নগরের শৃঙ্খলা ভেঙে দিতে পারে। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত দ্রুত একটি সুস্পষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন করে সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এ সমস্যার টেকসই সমাধান করা।এ প্রসঙ্গে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালামের সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলেও তিনি কোনো বক্তব্য দেননি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category