• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪৬ অপরাহ্ন
Headline
নলডাঙ্গায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত, গুরুত্ব পেল জনসচেতনতা যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী মাহমুদুল আলমের উদ্যোগে প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইল চেয়ার, সেলাই মেশিন ও ক্রাচ বিতরণ সান্তাহার পৌর যুবদলের উদ্যোগে নানা আয়োজনে ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত দুই বছরের মধ্যে স্বাস্থ্যখাতে আমূল পরিবর্তনের লক্ষ্য: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাংলাদেশের ৫ অগ্রাধিকার খাতে জাপানি বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে উদ্যোক্তা সৃষ্টিতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে: রাষ্ট্রপতি  বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সম্প্রসারণে সুইজারল্যান্ডের প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী  বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে আগ্রহী জাপান উন্নত বাংলাদেশ গড়তে প্রবাসী-দেশবাসীকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

টানা বৃষ্টিতে মৌলভীবাজারে আকস্মিক বন্যা, উদ্ধার ও প্রস্তুতিতে জেলা প্রশাসন

মনজু বিজয় চৌধুরী,মৌলভীবাজার / ১২০ Time View
Update : বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৬

মৌলভীবাজারে টানা ভারী বর্ষণ এবং উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় আকস্মিক বন্যা ও জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা প্রশাসন ব্যাপক তৎপরতা শুরু করেছে এবং জেলার ১৯৫টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) জেলা প্রশাসন কর্তৃক প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রধান নদ-নদীর পানি এখনো বিপদসীমার নিচে থাকলেও নিচু এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে।
বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে জেলার ৭টি উপজেলার জন্য ১০০ মেট্রিক টন জিআর চাল এবং ৩ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বর্তমানে সরকারি গুদামে ৩২১ মেট্রিক টন চাল এবং ৬ লক্ষাধিক টাকা মজুত রয়েছে। জরুরি পরিস্থিতি সামাল দিতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে আরও ৫০০০ মেট্রিক টন চাল ও ৩০ লক্ষ টাকার চাহিদাপত্র পাঠানো হয়েছে।
মৌলভীবাজার সদর উপজেলার আখাইলকুড়া ইউনিয়নের মিরপুর এলাকায় নদী ভাঙন দেখা দেওয়ায় জেলা প্রশাসক এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন। ভাঙন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাছে বর্তমানে ১৮,২০৫টি জিও ব্যাগ মজুত রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
বন্যার আশঙ্কায় দ্রুত বোরো ধান কাটার কাজ চলছে। জেলা প্রশাসনের তথ্যমতে, জেলার হাওড় অঞ্চলগুলোতে ইতিমধ্যে ৮২ শতাংশ এবং নন-হাওড় এলাকায় ২২ শতাংশ ধান কাটা সম্পন্ন হয়েছে। গড়ে পুরো জেলায় এখন পর্যন্ত ৪৮ শতাংশ ধান ঘরে তুলেছেন কৃষকরা।
জনসাধারণের জানমাল রক্ষায় পুলিশসহ সকল আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে সমন্বয় করা হচ্ছে। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, পরিস্থিতির অবনতি ঘটলে উদ্ধারকাজে সহায়তার জন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সহযোগিতা গ্রহণ করা হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের নিজ নিজ এলাকায় নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ এবং ক্ষতিগ্রস্তদের তাৎক্ষণিক সহায়তা প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসন থেকে জানানো হয়েছে, তারা সার্বক্ষণিকভাবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং যেকোনো দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রস্তুত রয়েছে।
মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক তৌহিদুজ্জামান পাভেল বলেন, “টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে জেলার বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবেলায় জেলা প্রশাসন সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category