অর্থমন্ত্রী আরো বলেন, একটি রাজনৈতিক সরকারের মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতা রয়েছে। জনগণের স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখেই অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এ ধরনের রাজনৈতিক দায়িত্বশীলতাকে আইএমএফ গুরুত্বের সঙ্গে দেখেছে এবং সম্মান জানিয়েছে। অর্থমন্ত্রী জানান, বর্তমান সরকারের চার মাসের কর্মকাণ্ডে আর্থিক খাতের সংস্কার, শেয়ার বাজার ও পুঁজিবাজারের উন্নয়ন এবং রাজস্ব আদায়ে যে অগ্রগতি হয়েছে, তাতে আইএমএফ সন্তোষ প্রকাশ করেছে। তিনি দাবি করেন, দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো মাত্র চার মাসে কর আদায়ে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। এই ধারা ধরে রেখে কর-জিডিপি অনুপাত বাড়ানোর বিষয়ে সরকারের পরিকল্পনা নিয়েও ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে।
ভর্তুকির বিষয়ে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, এখনো কোনো নির্দিষ্ট শর্ত বা বিস্তারিত বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়নি। আপাতত নতুন কর্মসূচির মূল ভিত্তি তৈরির বিষয়েই কথা হয়েছে। পরবর্তী পর্যায়ের আলোচনায় এসব বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে। সরকারি কর্মচারীদের জন্য নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে আইএমএফের সঙ্গে কোনো আলোচনা হয়েছে কী না এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, আজকের বৈঠকে পে-স্কেলের বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়নি। তবে এ পর্যন্ত অন্যান্য যেসব বিষয়ে আলোচনা হয়েছে, সেগুলোতে সন্তোষজনক অগ্রগতি হয়েছে। নতুন ঋণ কর্মসূচির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আইএমএফের পক্ষ থেকে নতুন ঋণ কর্মসূচিতে যাওয়ার ক্ষেত্রে কিছু শর্ত দেওয়া হচ্ছে এবং সরকার সেগুলো ধাপে ধাপে বা পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করবে। আইএমএফের সঙ্গে আলোচনা চলমান। আগামী সেপ্টেম্বর বা অক্টোবরে বিশ্বব্যাংকের বার্ষিক সভার সময় এ বিষয়ে আবার আলোচনা হবে। বর্তমান সরকারের সংস্কার কার্যক্রমে আইএমএফ সন্তুষ্ট এবং সেই ভিত্তিতেই নতুন কর্মসূচি চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হবে।






