• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪৪ পূর্বাহ্ন
Headline
তুরাগ নদ থেকে বিমান বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার অস্তিত্ব হারানোর পথে আড়িয়াল খাঁ, ময়নাকাটা বিশ্ববাজারে আবার কমল জ্বালানি তেলের দাম বিদায়ের ক্ষণ গুনছেন নেতানিয়াহু নওগাঁর নিয়ামতপুরে আরডিআরএস বাংলাদেশের উদ্যোগে সাড়ে ৭ হাজার গাছের চারা বিতরণ নলডাঙ্গায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত, গুরুত্ব পেল জনসচেতনতা যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী মাহমুদুল আলমের উদ্যোগে প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইল চেয়ার, সেলাই মেশিন ও ক্রাচ বিতরণ সান্তাহার পৌর যুবদলের উদ্যোগে নানা আয়োজনে ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত দুই বছরের মধ্যে স্বাস্থ্যখাতে আমূল পরিবর্তনের লক্ষ্য: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাংলাদেশের ৫ অগ্রাধিকার খাতে জাপানি বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

নবীজি (সা.) যেভাবে আশুরা উদযাপন করতেন

ইসলামের আলো ডেস্ক বর্তমান বাংলাদেশ / ৭৯ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬

 ছবি : সংগৃহীত
নবীজি মুহাম্মদ (সা.) আশুরা দিনকে উৎসবের মতো উদযাপন করতেন না, বরং এ দিনকে ইবাদত, বিশেষ করে রোজার মাধ্যমে গুরুত্ব দিতেন। ইসলামে ১০ মহররম একটি তাৎপর্যপূর্ণ দিন, যা ইসলামের বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত।
হাদিসে এসেছে, নবীজি (সা.) মদিনায় হিজরতের পর দেখলেন ইহুদিরা এই দিনে রোজা রাখে। তিনি জিজ্ঞেস করলে তারা বলল, এ দিনে আল্লাহ তায়ালা মুসা (আ.) ও বনী ইসরাইলকে ফেরাউনের হাত থেকে মুক্তি দিয়েছেন। তখন নবীজি (সা.) বললেন, ‘আমরা মুসার (আ.) সাথে তোমাদের চেয়ে বেশি সম্পর্ক রাখি।’ এরপর তিনি নিজে রোজা রাখলেন এবং সাহাবাদেরও রোজা রাখার নির্দেশ দিলেন। (বুখারি)
পরবর্তীতে নবীজি (সা.) আশুরার রোজাকে আরও পূর্ণতা দিতে ৯ তারিখ (তাসুয়া) অথবা ১১ তারিখে রোজা রাখার পরামর্শ দেন, যাতে ইহুদিদের রীতি থেকে আলাদা থাকা যায়। (মুসলিম)
কোরআনে রোজার সাধারণ নির্দেশনা এসেছে, ‘হে মুমিনগণ! তোমাদের ওপর রোজা ফরজ করা হয়েছে, যেমন ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর, যাতে তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পারো।’ (সূরা বাকারা, আয়াত : ১৮৩)।
যদিও এখানে আশুরার সরাসরি উল্লেখ নেই, তবে এটি রোজার গুরুত্ব বোঝায়।
এছাড়া নবীজি (সা.) আশুরাকে শোক বা উৎসবের দিন হিসেবে নির্ধারণ করেননি। এ দিনে মাতম বা শোক প্রকাশ ইসলামে প্রমাণিত নয়। বরং সুন্নাহ অনুযায়ী এ দিনটি ইবাদত, তওবা ও আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের দিন।
সুতরাং, নবীজি (সা.)-এর সুন্নাহ অনুযায়ী আশুরার প্রধান আমল হলো মহররমের ৯ ও ১০ তারিখ অথবা ১০ ও ১১ তারিখ রোজা রাখা। অতীত জাতির প্রতি আল্লাহর সাহায্য স্মরণ করা এবং কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা। এটি একটি শিক্ষা ও আত্মশুদ্ধির দিন, কোনো আনুষ্ঠানিক উৎসব বা শোকের দিন নয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category