সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম গড়ে ১৫ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে। তবে স্বল্প আয়ের গ্রাহকদের জন্য চালু থাকা ‘লাইফ লাইন’ সুবিধায় আপাতত কোনো পরিবর্তন আনা হচ্ছে না।
বিইআরসির ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, বুধবার বেলা ১১টায় কমিশনের কারিগরি কমিটির বৈঠকে ইউনিটপ্রতি মূল্যবৃদ্ধির হার চূড়ান্ত করা হবে। এরপর বিকেলে নতুন ট্যারিফ ঘোষণা করা হতে পারে।
এর আগে একটি মন্ত্রিসভা কমিটি ইউনিটপ্রতি ১ থেকে ১ দশমিক ৫০ টাকা পর্যন্ত দাম বাড়ানোর সুপারিশ করে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিদ্যুতের দাম বাড়লে এর প্রভাব শুধু বিদ্যুৎ বিলেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; শিল্প-কারখানা, সেচ, পরিবহন, কোল্ড স্টোরেজসহ প্রায় সব খাতে উৎপাদন ব্যয় বাড়বে। ফলে নিত্যপণ্যের বাজারেও চাপ বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বিইআরসির গণশুনানিতে বিভিন্ন বিতরণ কোম্পানি খুচরা পর্যায়ে ইউনিটপ্রতি ৮৫ পয়সা থেকে ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়। পরে কারিগরি দল গড়ে ইউনিটপ্রতি ১ টাকা ২৫ পয়সা বৃদ্ধির সুপারিশ করে, যা কমিশন গ্রহণ করতে পারে বলে জানা গেছে।