• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৪৯ অপরাহ্ন
Headline
প্রাথমিকে ৯৩, মাধ্যমিকের ৫৭ শতাংশ বই ছাপা শেষ, নভেম্বরে শতভাগ সরবরাহের লক্ষ্য ৪ বছরে ২ কোটি ৪০ লাখ কৃষক কার্ড দেবে সরকার ইউপি নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘনে প্রার্থিতা বাতিল, সর্বোচ্চ ২ বছরের কারাদণ্ড জাপানে টয়োটার মোতোমাচি কারখানা পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী ডিএফওর বিরুদ্ধে অর্থ ছাড় না দেওয়ার অভিযোগ, পাঁচ মাস ধরে ভাতা বন্ধ লাউয়াছড়ার কর্মীদের তুরাগ নদ থেকে বিমান বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার অস্তিত্ব হারানোর পথে আড়িয়াল খাঁ, ময়নাকাটা বিশ্ববাজারে আবার কমল জ্বালানি তেলের দাম বিদায়ের ক্ষণ গুনছেন নেতানিয়াহু নওগাঁর নিয়ামতপুরে আরডিআরএস বাংলাদেশের উদ্যোগে সাড়ে ৭ হাজার গাছের চারা বিতরণ

বাজেটে রাজস্ব আদায়ের আওতা বাড়ানো হয়েছে: অর্থমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৭৩ Time View
Update : সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬

ফাইল ছবি

আসন্ন বাজেটে রাজস্ব আদায়ের আওতা বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, যে জায়গাগুলো এতদিন রাজস্ব আদায়ের বাইরে ছিল, সেগুলোকে এবার আওতার মধ্যে নিয়ে আসা হয়েছে। রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে নেটওয়ার্ক বাড়ানোর ওপর জোর দিয়ে তিনি জানান যে, সরকার এখন সেই লক্ষ্যেই কাজ করছে।

সোমবার (১৮ মে) আগারগাঁও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (এনইসি) সভা শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

রাজস্ব আদায় প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, আমাদের রাজস্ব আদায়ের হার বিশ্বে একেবারেই নিম্ন পর্যায়ে। আমরা তো এটিকে সেই জায়গায় রাখতে পারবো না। একটা দেশ সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে যে অর্থায়ন প্রয়োজন সেটি আমাদের অবশ্যই বাড়াতে হবে। এজন্য আমরা এনবিআরের একটি রিফর্ম প্রোগ্রামে যাচ্ছি। রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে আমাদের নেটওয়ার্ক সেটা বড় করতে যাচ্ছি।

তিনি বলেন, বহুদিন নেটওয়ার্কের কথা শোনা গিয়েছে, কিন্তু নেটওয়ার্ক তো বড় হয়নি। ঘুরে ফিরে যারা আছে তারাই ট্যাক্স দিচ্ছে। তাদের ওপর বারবার চাপ সৃষ্টি হচ্ছে। এজন্য আমাদের নেটওয়ার্ক বাড়াতে হবে। অনেকে হয়তো ন্যূনতম ইনকাম ট্যাক্স দিয়েও নেটওয়ার্কের আওতায় আসবে। এ বিষয়ে আমরা সবাইকে এনকারেজ করছি।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, যত বেশি লোককে আমরা নেটওয়ার্কে আনতে পারবো সেটা তাদের জন্যও সুবিধা। কারণ, রাজস্ব আদায় যত বেশি হবে এটার বেনিফিট জনগণের কাছেই যাবে। এটি তো একটি নির্বাচিত সরকার। আগে বেনিফিট গিয়েছে কিছু লোকের পকেটে, এখন বেনিফিট যাবে বাংলাদেশের মানুষের কাছে। সুতরাং এখানে একটি ইনসেনটিভ থাকবে। আর রাজস্ব আদায়ের জন্য যে জায়গাগুলো বাইরে ছিল সেগুলোকে আমরা এবার আওতার মধ্যে নিয়ে এসেছি।

তিনি আরও বলেন, সবকিছু মিলিয়ে আমি এটা বলবো না যে আমাদের বড় ধরনের প্রবৃদ্ধি হবে। প্রবৃদ্ধিটা হবে ক্রমান্বয়ে। তবে কতটুকু প্রবৃদ্ধি হতে পারে সেটি মাথায় রেখে আমরা বাজেট প্রস্তাব করেছি। আশা করি, আগামী দিনে এটি যত বাড়বে আমাদের প্রবৃদ্ধির হারও তত বাড়বে। তখন আমাদের বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানও বাড়বে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, এবারের প্রেক্ষাপটটা হচ্ছে ভঙ্গুর অর্থনীতি থেকে সমৃদ্ধি, পুনরুদ্ধার, উত্তরণ ও পুনর্গঠন কৌশল। ফলে আমরা একটি ভঙ্গুর অর্থনীতি থেকে সামনের দিকে যাচ্ছি, এটির পুনরুদ্ধার কীভাবে হবে, উত্তরণ কীভাবে হবে, পুনর্গঠন কৌশলটা কী হবে- এ বিষয়গুলো মাথায় রেখে বাজেট পরিকল্পনা হয়েছে।

বিগত সময়ে কিছু প্রকল্পে দুর্নীতি হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দুর্নীতি কিংবা অব্যবস্থাপনার মাধ্যমে যেসব প্রকল্প এসেছে সেগুলো আইডেন্টিফাই করবে আইএমইডি (বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ)। তদন্তের মাধ্যমে এসব প্রকল্পের বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আগামী দিনের বাংলাদেশের উন্নয়নের যে চিত্র সেখানেও আশা করি তার প্রতিফলন পাবেন।

এ প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, আমরা মনে করি এই প্রকল্পগুলো নতুনভাবে হবে। কারণ, সেগুলো তো সময়মতো শেষ করতে হবে। আর যেগুলো আমরা বিগত দিন থেকে পেয়েছি এই অসমাপ্ত কাজগুলো কতটুকু সমাপ্ত করবে সেগুলো রিভিউয়ের মাধ্যমে সমাধান হবে। আর যেগুলোর আসলে প্রয়োজনীয়তা নেই সেগুলো বাদ দেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category