• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:২৪ অপরাহ্ন
Headline
প্রাথমিকে ৯৩, মাধ্যমিকের ৫৭ শতাংশ বই ছাপা শেষ, নভেম্বরে শতভাগ সরবরাহের লক্ষ্য ৪ বছরে ২ কোটি ৪০ লাখ কৃষক কার্ড দেবে সরকার ইউপি নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘনে প্রার্থিতা বাতিল, সর্বোচ্চ ২ বছরের কারাদণ্ড জাপানে টয়োটার মোতোমাচি কারখানা পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী ডিএফওর বিরুদ্ধে অর্থ ছাড় না দেওয়ার অভিযোগ, পাঁচ মাস ধরে ভাতা বন্ধ লাউয়াছড়ার কর্মীদের তুরাগ নদ থেকে বিমান বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার অস্তিত্ব হারানোর পথে আড়িয়াল খাঁ, ময়নাকাটা বিশ্ববাজারে আবার কমল জ্বালানি তেলের দাম বিদায়ের ক্ষণ গুনছেন নেতানিয়াহু নওগাঁর নিয়ামতপুরে আরডিআরএস বাংলাদেশের উদ্যোগে সাড়ে ৭ হাজার গাছের চারা বিতরণ

সিরাজগঞ্জে চাহিদার চেয়ে ৩ লক্ষাধিক কোরবানির পশু প্রস্তুত  

অর্থনীতি ডেস্ক / ৮৯ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬

ছবি : বাসস
পবিত্র ঈদুল আজহা ঘনিয়ে আসতেই সিরাজগঞ্জের গ্রামাঞ্চলে যেন বইছে কোরবানির আমেজ। জেলার ছোট-বড় খামারগুলোতে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন খামারিরা। বছরের পর বছর শ্রম, যত্ন আর ভালোবাসায় লালন-পালন করা গবাদিপশু বিক্রির অপেক্ষায় প্রস্তুত হয়ে আছে খামারে খামারে।

জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরে সিরাজগঞ্জে কোরবানিযোগ্য পশুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ১৭ হাজার ৭২৩টি। অথচ জেলার স্থানীয় চাহিদা রয়েছে মাত্র ২ লাখ ৯৩ হাজার ৬৭৬টি। অর্থাৎ, চাহিদা পূরণের পরও প্রায় ৩ লাখ ২৪ হাজার পশু উদ্বৃত্ত থাকবে, যা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের কোরবানির বাজারে সরবরাহ করা হবে।

খামারিরা বাসস’কে জানান, বাড়তি খাদ্য খরচ ও উৎপাদন ব্যয় তাদের দুশ্চিন্তায় রাখলেও লাভের আশায় তারা পশু পালনে কোনো ধরনের ক্ষতিকর ওষুধ বা হরমোন ব্যবহার করেননি। সম্পূর্ণ দেশীয় ও প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে গরু-ছাগল মোটাতাজা করা হয়েছে। আশা করছি এবার ভালো বেচাকেনা হবে। আমরাও লাভবান হবো। খামার মালিকরা চান, ক্রেতারা সরাসরি খামারে এসে পশু দেখে কিনুক।

সরকারিভাবে প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ পাওয়ায় খামারিরা পশু পালনে উপকৃত হচ্ছেন। এবার কোরবানির হাটে দেশীয়ভাবে উৎপাদিত গরুর চাহিদা বেশি থাকবে বলে আশা করছেন খামারিরা।

সরেজমিনে জেলার বিভিন্ন খামার ঘুরে দেখা গেছে, খৈল, ভুসি ও সবুজ ঘাস খাইয়ে পরিচ্ছন্ন পরিবেশে পশু লালন-পালন করা হচ্ছে। অনেক খামারেই এখন ক্রেতাদের আনাগোনা শুরু হয়েছে।

প্রাণিসম্পদ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর জেলায় ১ লাখ ৯৯ হাজার ৯২৪টি গরু, ৩ লাখ ৬৫ হাজার ৮৫০টি ছাগল এবং ৪৭ হাজার ৭২৪টি ভেড়া কোরবানির জন্য প্রস্তুত রয়েছে। শাহজাদপুর, উল্লাপাড়া ও সদর উপজেলায় পশু উৎপাদনের হার সবচেয়ে বেশি।

ছোঁয়া মনি ডেইরি ফার্মের পরিচালক হাজী আব্দুস সাত্তারের সঙ্গে আলাপকালে বলেন, কোরবানির বাজারকে সামনে রেখে খামারে দেশীয় পদ্ধতিতে স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশে গরু পালন করা হয়েছে। প্রতিদিন নিয়ম করে পরিচর্যা ও ভালো মানের খাবার দেয়া হচ্ছে গরুগুলোকে। আমরা কোরবানির জন্য ক্রেতাদের হাতে নিরাপদ, ভালো মানের ও স্বাস্থ্যকর গরু তুলে দিতে চাই।

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. এ.কে.এম. আনোয়ারুল হক বাসস’কে বলেন, জেলার ৩৭টি স্থায়ী ও অস্থায়ী পশুর হাটে মেডিকেল টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে। নিরাপদ মাংস উৎপাদন নিশ্চিত করতে নিয়মিত তদারকিও চলছে।

তিনি আরও বলেন, ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে জেলা ও উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর একটা চ্যালেঞ্জে থাকে। এ বছর দেশীয় ও প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে স্থানীয়ভাবে পালিত পশু দিয়েই জেলার কোরবানির চাহিদা মেটানো হবে।

খামারিদের প্রত্যাশা, সীমান্ত পথে ভারতীয় গরুর প্রবেশ নিয়ন্ত্রণে থাকলে দেশীয় খামারিরা ন্যায্য মূল্য পাবেন। আর তাতে লাভবান হবে স্থানীয় অর্থনীতিও।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category