• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২৮ অপরাহ্ন
Headline
সরকারি বেতন দিতে ৫ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিচ্ছে সরকার এতিমখানার ইলিশ ভাগাভাগি করে নিলেন মাদ্রাসাশিক্ষকসহ দুজন, জরিমানা ৮০ হাজার ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির বক্তব্য  সরকার-বিএনপি গ্রহণ করেনি সৌদি আরবের তেল শোধনাগারে হামলা, বিশ্ববাজারে বাড়ল তেলের দাম সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের জন্য ঢাকা-টোকিও সম্পর্ক সুদৃঢ় করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর এইচএসসির ফল প্রকাশ শনিবার, জানা যাবে যেভাবে সিপিবির কার্যালয়ে হামলার প্রতিবাদে যুক্তফ্রন্টের বিক্ষোভ আজকের নামাজের সময়সূচি (২৮ অক্টোবর) স্থলভাগে প্রবেশ করেছে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’, উপকূলে তাণ্ডবের শঙ্কা সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাচ্ছে না নেতানিয়াহু বা বিরোধী জোট, রেকর্ড সংখ্যক আসন পাচ্ছে আরব দলগুলো

জিলকদ মাসে মহানবী (সা.)-এর ওমরাহ পালন

Reporter Name / ১০৯ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬

মহানবী (সা.) তার জীবনে চারবার ওমরাহ করেছেন। চারবারই তিনি ওমরাহ করেছেন জিলকদ মাসে। হোদায়বিয়ার ওমরাহ মহানবী (সা.) আদায় করেছিলেন জিলকদ মাসে। কাজা ওমরাহ আদায় করেছেন জিলকদ মাসে, জি‘রানার ওমরাহও আদায় করেছেন জিলকদ মাসে। আর বিদায় হজের সাথের ওমরাহও আদায় করেছিলেন জিলকদ মাসে।

এ কারণে অনেকে জিলকদ মাসে বা হজের মাসসমূহে অর্থাৎ শাওয়াল, জিলকদ ও জিলহজ মাসে ওমরাহ করাকে বিশেষ ফজিলতপূর্ণ বলেছেন। কেউ যদি মহানবীর (সা.) অনুসরণের নিয়তে জিলকদ মাসে বা হজের মাসসমূহে ওমরাহ পালন করেন, তাহলে তিনি ওমরাহর পাশাপাশি মহানবীর (সা.) অনুসরণের কারণেও সওয়াব লাভ করবেন এই আশা করা যায়।

যদিও মহানবীর (সা.) কোনো হাদিসে সুস্পষ্টভাবে হজের মাসে ওমরাহ করার বিশেষ কোনো ফজিলত বর্ণিত হয়নি। হাদিসে সুস্পষ্টভাবে রমজান মাসের ওমরাহকে বিশেষ ফজিলতপূর্ণ বলা হয়েছে। আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত রয়েছে আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, রমজানের ওমরাহ একটি হজের সমতুল্য অথবা আমার সঙ্গে হজ করার সমতুল্য। (সহিহ বুখারি: ১৭৮৬, সহিহ মুসলিম: ১২৫৬)

শাওয়াল ও জিলকদকেও কেন হজের মাস বলা হয়?

হজ মূলত হিজরি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী জিলহজ মাসে হলেও শাওয়াল ও জিলকদ মাসকেও হজের মাস বলা হয়। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা ‘হজের নির্দিষ্ট কয়েকটি মাস’ বলে এ তিনটি মাস বুঝিয়েছেন। আল্লাহ তাআলা বলেন, হজের নির্দিষ্ট কয়েকটি মাস রয়েছে। এ মাসগুলোতে যে কেউ হজ করার মনস্থ করবে, তার জন্য হাজের মধ্যে স্ত্রী সম্ভোগ, অন্যায় আচরণ ও ঝগড়া-বিবাদ বৈধ নয় এবং তোমরা যে কোন সৎ কাজই কর, আল্লাহ তা জানেন এবং তোমরা পাথেয়ের ব্যবস্থা করবে আর তাক্বওয়াই শ্রেষ্ঠ পাথেয়। হে জ্ঞানী ও বিবেকবানরা! আমাকেই ভয় করতে থাক। (সুরা বাকারা: ১৯৭)

এই মাসগুলোকে হজের মাস বলার কারণ হলো, এই মাসগুলোতেই হজের ইহরাম বাঁধা ও হজের আমলগুলো সম্পন্ন করতে হয়। শাওয়াল মাসের আগে হজের ইহরাম বাঁধা যায় না। শাওয়ালের শুরু থেকে হজের ইহরাম বাঁধা যায়। শাওয়ালের প্রথমেই কেউ যদি হজের নিয়তে ইহরাম বাঁধে এবং তাওয়াফ ও সাঈ করে, তবে তা হজের জন্যই হবে। কিন্তু আরাফায় অবস্থান এবং এর পরবর্তী আমলগুলোর জন্য তো নির্ধারিত দিন আছে সেগুলো নির্ধারিত দিনেই করতে হবে।

জিলহজ মাসে পাঁচদিন ওমরাহ করা মাকরুহ তাহরিমি

জিলহজ মাসে হজের পাঁচদিন অর্থাৎ জিলহজ মাসের ৯, ১০, ১১, ১২ ও ১৩ তারিখে ওমরাহ করা মাকরুহ তাহরিমি। এ দিনগুলোতে ওমরাহ করা থেকে বিরত থাকতে হবে। এ ছাড়া হজের মাস শাওয়াল ও জিলকদে ওমরাহ করা যায়। জিলহজ মাসের প্রথম আট দিনও ওমরাহ করা যায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category