বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী রাশিদুজ্জামান মিল্লাত বর্তমান বাংলাদেশকে এই তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি জানান, আগামী দুই মাসের মধ্যে অর্থাৎ জুন-জুলাইয়ের মধ্যে টার্মিনালটি পরিচালনার বিষয়ে জাপানের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক চুক্তি সম্পন্ন হবে।
প্রতিমন্ত্রী জানান, উদ্বোধনের দিন থেকেই অন্তত ১০ থেকে ১৫টি ফ্লাইট নিয়ে টার্মিনালটি সচল হবে। এর পরবর্তী এক থেকে দুই মাসের মধ্যে এটি পূর্ণ উদ্যমে যাত্রা শুরু করবে। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, এই টার্মিনালের আয়ের ২৭ শতাংশ পাবে বাংলাদেশ। এতে প্রতিবছর সরকারের শতকোটি টাকা আয় হতে পারে। চুক্তি অনুযায়ী ১৫ বছর পর পুরো টার্মিনালটি বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে।
এর আগে গত বছরের একতরফা জাতীয় নির্বাচনের আগে কাজ বাকি থাকতেই সাবেক আওয়ামী লীগ সরকার একবার টার্মিনালটি উদ্বোধন করেছিলো, কিন্তু তা কার্যকর করা সম্ভব হয়নি। এরপর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় অবকাঠামোগত অসম্পূর্ণতা এবং নেটওয়ার্কসহ নানা জটিলতায় স্থাপনাটি পড়ে ছিলো। এমনকি গত ১৭ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় যখন বিএনপি সরকার শপথ নিচ্ছিলো, তখন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার থেকে জাপানকে বাদ দেওয়ার একটি চিঠি ইস্যু করা নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়।
বর্তমান বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর দ্রুততম সময়ে টার্মিনালটি চালুর উদ্যোগ নেয়। জাপানের সঙ্গে কয়েক দফা আলোচনার পর আবারও তাদেরই পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।









