• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:২৯ অপরাহ্ন
Headline
নলডাঙ্গায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত, গুরুত্ব পেল জনসচেতনতা যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী মাহমুদুল আলমের উদ্যোগে প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইল চেয়ার, সেলাই মেশিন ও ক্রাচ বিতরণ সান্তাহার পৌর যুবদলের উদ্যোগে নানা আয়োজনে ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত দুই বছরের মধ্যে স্বাস্থ্যখাতে আমূল পরিবর্তনের লক্ষ্য: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাংলাদেশের ৫ অগ্রাধিকার খাতে জাপানি বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে উদ্যোক্তা সৃষ্টিতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে: রাষ্ট্রপতি  বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সম্প্রসারণে সুইজারল্যান্ডের প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী  বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে আগ্রহী জাপান উন্নত বাংলাদেশ গড়তে প্রবাসী-দেশবাসীকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

রাজবাড়ীতে ধর্ষণ মামলায় একজনের যাবজ্জীবন

রাজবাড়ী প্রতিনিধি / ২৫ Time View
Update : রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬

ছবি সংগৃহীত 
রাজবাড়ীর পাংশায় ধর্ষণ মামলায় মো. ফারুক হোসেন নামের এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

রবিবার (১১ অক্টোবর) রাজবাড়ী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও জেলা ও দায়রা জজ মো. তৌহিদুল ইসলাম এ রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। দণ্ডপ্রাপ্ত ফারুক পাংশা উপজেলার নিশ্চিন্তপুর গ্রামের আহম্মদ খার ছেলে।

জরিমানার অর্থ ভুক্তভোগীকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

এ ছাড়া ভুক্তভোগীর বর্তমান ৭ বছর বয়সী সন্তানকে ২১ বছর বয়সে পৌঁছানো পর্যন্ত তার ভরণপোষণের ব্যয় রাষ্ট্র বহন করবে।মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৮ সালের ৩০ মে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তালাকপ্রাপ্ত এক নারীকে কুষ্টিয়ার খোকসা রেলস্টেশনসংলগ্ন এক আত্মীয়ের বাসায় নিয়ে ধর্ষণ করেন ফারুক। পরে বিয়ের কাগজপত্র তৈরির কথা বলে তাকে ঢাকায় নিয়ে যান। সেখানে প্রায় দুই মাস অবস্থানকালে বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে ধর্ষণ করেন।

একপর্যায়ে ওই নারী গর্ভবতী হলে ফারুক বিয়ে অস্বীকার করেন এবং তাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করেন। পরে ওই নারী আদালতে অভিযোগ দায়ের করে। পরবর্তীতে আদালতের নির্দেশে পাংশা থানায় মামলাটি রেকর্ড হয়। তদন্ত শেষে পুলিশ ফারুকের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয়। পরে ওই নারী একটি পুত্রসন্তানের জন্ম দেন।
আদালত রায়ে ফারুকের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারার অপরাধ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাকে দোষী সাব্যস্ত করেন। পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা ভুক্তভোগীর ক্ষতিপূরণ হিসেবে আদায়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আসামির বর্তমান সম্পদ থেকে অর্থ আদায় সম্ভব না হলে ভবিষ্যতে অর্জিত সম্পদ থেকে তা আদায় করা যাবে। এ ছাড়া জন্ম নেয়া এই পুত্রকে ফারুকের জৈবিক সন্তান হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে আইনানুগ অধিকার নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। সন্তানের ভরণপোষণের অর্থ নির্ধারণ ও বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে রাজবাড়ীর জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর জাহিদ উদ্দিন মোল্লা বলেন, আদালতের এ রায়ের মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। একই সঙ্গে ভুক্তভোগীর ক্ষতিপূরণ এবং সন্তানের ভরণপোষণ নিশ্চিত করার নির্দেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত। এ রায় নারী ও শিশু নির্যাতনের মতো অপরাধের বিরুদ্ধে আইন প্রয়োগের গুরুত্ব তুলে ধরে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category