জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, রাজনৈতিক কর্মীদের মূল কাজ কেবল আন্দোলন বা সংগ্রাম নয়, বরং দেশের মানুষের মৌলিক অধিকার পূরণ করা।
শহীদ জেহাদ, আবু সাঈদ ও মুগ্ধদের আত্মত্যাগ স্মরণ করে তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদের কবল থেকে দেশকে মুক্ত করে একটি আধুনিক ও বিজ্ঞানমুখী রাষ্ট্র গঠনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নের বিকল্প নেই। এই ইশতেহারে ফ্যাসিবাদের বিলোপ ঘটিয়ে আধুনিক গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা রয়েছে, যা অর্জিত গণতন্ত্রকে টেকসই রূপ দেবে।
তিনি আরও বলেন, বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও তথ্যপ্রযুক্তির যুগে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা ত্বরান্বিত করতে হবে। শুধু আন্দোলন ও ত্যাগের ইতিহাসচর্চায় সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না। শহীদের রক্তের অঙ্গীকার বাস্তবায়নে কার্যকর সংসদ গঠন এবং জাতীয় অর্থনীতি সচল করাই এখন রাষ্ট্র ও রাজনৈতিক কর্মীদের প্রধান দায়িত্ব।
শহীদ জেহাদ স্মৃতি পরিষদের সভাপতি আমানুল্লাহ আমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ।
আরও বক্তব্য দেন সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, সংসদ সদস্য শিরীন সুলতানা, সাবেক সংসদ সদস্য নাজিমুদ্দিন আলম, হাবিবুর রহমান হাবিব ও খন্দকার লুৎফর রহমান। সভা সঞ্চালনা করেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও সংসদ সদস্য খায়রুল কবির খোকন।







