• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫১ পূর্বাহ্ন
Headline
প্রাথমিকে ৯৩, মাধ্যমিকের ৫৭ শতাংশ বই ছাপা শেষ, নভেম্বরে শতভাগ সরবরাহের লক্ষ্য ৪ বছরে ২ কোটি ৪০ লাখ কৃষক কার্ড দেবে সরকার ইউপি নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘনে প্রার্থিতা বাতিল, সর্বোচ্চ ২ বছরের কারাদণ্ড জাপানে টয়োটার মোতোমাচি কারখানা পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী ডিএফওর বিরুদ্ধে অর্থ ছাড় না দেওয়ার অভিযোগ, পাঁচ মাস ধরে ভাতা বন্ধ লাউয়াছড়ার কর্মীদের তুরাগ নদ থেকে বিমান বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার অস্তিত্ব হারানোর পথে আড়িয়াল খাঁ, ময়নাকাটা বিশ্ববাজারে আবার কমল জ্বালানি তেলের দাম বিদায়ের ক্ষণ গুনছেন নেতানিয়াহু নওগাঁর নিয়ামতপুরে আরডিআরএস বাংলাদেশের উদ্যোগে সাড়ে ৭ হাজার গাছের চারা বিতরণ

শ্রমজীবী নারীদের নিরাপত্তা ও কল্যাণকে দিয়ে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে সরকার : শ্রমমন্ত্রী

বাসস / ৩৭ Time View
Update : শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬

শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী শুক্রবার চট্টগ্রামের কালুরঘাট শিল্প এলাকায় নারী শ্রমিকদের জন্য নির্মিত ‘শ্রমজীবি মহিলা হোস্টেল ও শ্রমকল্যাণ কেন্দ্র’ পরিদর্শনকালে কথা বলেন। ছবি: বাসস

শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন, বর্তমান সরকার শ্রমজীবী নারীদের নিরাপত্তা, অধিকার রক্ষা এবং সার্বিক কল্যাণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে।

শুক্রবার সকালে চট্টগ্রাম নগরের কালুরঘাট শিল্প এলাকায় নারী শ্রমিকদের জন্য নির্মিত ‘শ্রমজীবি মহিলা হোস্টেল ও শ্রমকল্যাণ কেন্দ্র’ পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি জানান, কালুরঘাট শিল্প এলাকার শ্রমজীবী নারীদের জন্য নির্মিত ‘মহিলা হোস্টেল ও শ্রমকল্যাণ কেন্দ্রটি’ দ্রুত চালুর লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সমন্বয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, কালুরঘাট শিল্প এলাকায় অন্তত দুই লাখ শ্রমিক কাজ করেন, যাদের একটি বড় অংশ নারী শ্রমিক। শ্রমজীবী নারীদের নিরাপত্তা, আবাসন, চিকিৎসাসেবা সহ যাবতীয় সংকট নিরসনে এই স্থাপনাটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এ সময় তিনি নারী শ্রমিকদের জন্য নির্মিত হোস্টেল ও ৫ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল সহ শ্রমকল্যাণ কেন্দ্রটি ঘুরে দেখেন।

শ্রমমন্ত্রী বলেন, এই স্থাপনায় সরকারের কয়েক শত কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে। তবে নানা কারণে এটি এখনো চালু করা সম্ভব হয়নি। ভবনটির ভবিষ্যৎ কী হবে এবং এটি কীভাবে শ্রমজীবী নারীদের কল্যাণে ব্যবহার করা যায়, সে বিষয়ে আইনগত ও কারিগরি সব দিক পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এ লক্ষ্যে মেয়র, এলাকার সংসদ সদস্য এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে নিয়ে আলোচনা করে একটি সমন্বিত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর চেষ্টা করা হবে।

এ সময় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আব্দুর রহমান তরফদার, শ্রম কল্যাণ সংস্থার কর্মকর্তারা, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সেনাকল্যাণ সংস্থার প্রতিনিধি, প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category