নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে পদ্মা অয়েল পিএলসির গোদনাইল ডিপোর কর্মীদের কাছে এককালীন ২০ লাখ টাকা এবং প্রতি মাসে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে সাইফুদ্দিন মোহাম্মদ ফয়সালের বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় ডিপোর কর্মী মো. রফিকুল ইসলাম ফয়সালসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১০-১২ জনের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন। রফিকুল ইসলাম পদ্মা অয়েল পিএলসির গোদনাইল ডিপোর জেট-এ-১ পয়েন্টে চেকার পদে কর্মরত।
অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, গত ১ জুলাই ২০২৬ সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে অভিযোগকারীর মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হয়। এ সময় গোদনাইল ডিপোর জেট-এ-১ পয়েন্টে কর্মরত কর্মচারীদের কাছ থেকে এককালীন ২০ লাখ টাকা এবং প্রতি মাসে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
চাঁদার টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ডিপোতে চাকরি করতে দেওয়া হবে না বলে হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে অভিযোগকারীকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে। অভিযোগে আরও বলা হয়, গত ১ আগস্ট সকাল আনুমানিক সোয়া ১১টার দিকে কয়েকজন ব্যক্তি গোদনাইল ডিপোর জেট-এ-১ পয়েন্টে গিয়ে পুনরায় এককালীন ২০ লাখ টাকা এবং প্রতি মাসে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। এ সময় কর্মরতদের সঙ্গে গালিগালাজ ও মারমুখী আচরণ করা হয় বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
চাঁদার টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে অভিযুক্তরা কর্মচারীদের হুমকি দেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করে এ বিষয়ে থানায় অভিযোগ বা মামলা করলে সুযোগমতো হত্যা করে লাশ গুম করার হুমকি দেওয়া হয় বলেও দাবি করেন অভিযোগকারী। এ ঘটনায় গোদনাইল ডিপোর কর্মচারীদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। ভবিষ্যতে কর্মস্থলে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানান অভিযোগকারী।
এ বিষয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মজিবর রহমান সাংবাদিকদের জানান, ‘এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে কেউ অভিযোগ দিলে সেই অভিযোগের ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
এ বিষয়ে সাইফুদ্দিন মোহাম্মদ ফয়সালের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।