• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৩১ অপরাহ্ন
Headline
সরকারি বেতন দিতে ৫ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিচ্ছে সরকার এতিমখানার ইলিশ ভাগাভাগি করে নিলেন মাদ্রাসাশিক্ষকসহ দুজন, জরিমানা ৮০ হাজার ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির বক্তব্য  সরকার-বিএনপি গ্রহণ করেনি সৌদি আরবের তেল শোধনাগারে হামলা, বিশ্ববাজারে বাড়ল তেলের দাম সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের জন্য ঢাকা-টোকিও সম্পর্ক সুদৃঢ় করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর এইচএসসির ফল প্রকাশ শনিবার, জানা যাবে যেভাবে সিপিবির কার্যালয়ে হামলার প্রতিবাদে যুক্তফ্রন্টের বিক্ষোভ আজকের নামাজের সময়সূচি (২৮ অক্টোবর) স্থলভাগে প্রবেশ করেছে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’, উপকূলে তাণ্ডবের শঙ্কা সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাচ্ছে না নেতানিয়াহু বা বিরোধী জোট, রেকর্ড সংখ্যক আসন পাচ্ছে আরব দলগুলো

স্বামীর পুরুষাঙ্গ কর্তন, স্ত্রীর ৭ বছরের কারাদণ্ড

আদালত প্রতিবেদক / ৭০ Time View
Update : বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট, ঢাকা। ছবি : সংগৃহীত
রাজধানীর বংশালের কসাইটুলী এলাকায় স্বামীর জননাঙ্গ কেটে দেওয়ার মামলায় মোছা. রুমা আক্তারকে পৃথক দুই ধারায় মোট ৭ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। তবে, দুই ধারার সাজা একসঙ্গে চলবে। ফলে, তাকে সর্বোচ্চ ৪ বছর কারাভোগ করতে হবে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসাইন এ রায় দেন। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বাদীপক্ষের আইনজীবী আতাউর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
আইনজীবী আতাউর রহমান জানান, কাঁচি দিয়ে আঘাত করার দায়ে রুমাকে ৩ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাকে আরও এক মাস কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
এ ছাড়া, গুরুতর আঘাতের অপরাধে তাকে ৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ অর্থদণ্ড অনাদায়েও আরও এক মাস কারাভোগ করতে হবে তাকে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের জুন মাসে সিয়াম ও রুমার বিয়ে হয়। বিয়ের পর তারা রাজধানীর বংশালের কসাইটুলী এলাকায় একটি বাসায় বসবাস করতেন। তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহ চলছিল।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ১২টার দিকে বাইরে থেকে খাবার খেয়ে বাসায় ফেরেন সিয়াম। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। তারপর সিয়াম ঘুমিয়ে পড়লে ভোর সাড়ে ৪টার দিকে তার পুরুষাঙ্গ কাঁচি দিয়ে কেটে দেন রুমা। এ সময় ধস্তাধস্তিতে তার বাঁ হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলও জখম হয়।
ঘটনার দিনই সিয়ামের বাবা বংশাল থানায় মামলা করেন। মামলাটি তদন্ত করে ২০২৫ সালের ৫ মে রুমাকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দেন বংশাল থানার উপপরিদর্শক ফেরদৌস আলম।
এরপর ২০২৫ সালের ১০ নভেম্বর রুমার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে মামলার বিচার শুরু হয়। বিচার চলাকালে মামলার ১১ জন সাক্ষীর মধ্যে ৭ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন আদালত। আসামি রুমাও নিজের পক্ষে সাফাই সাক্ষ্য দেন।
পরে আত্মপক্ষ সমর্থন ও যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আদালত রুমাকে পৃথক দুই ধারায় মোট ৭ বছরের কারাদণ্ড দেন। তবে, সাজা একসঙ্গে চলায় কার্যত ৪ বছর কারাভোগ করতে হবে তাকে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category