তাঁরা হলেন, ঢাকা-জামালপুর রুটে চলাচলকারী বাসের চালক সোহেল রানা (৪০), সহকারী মনির (১৮) ও সুপারভাইজার সাজু (২৮)। তাদের মধ্যে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১।
র্যাব-১-এর সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ৪ সেপ্টেম্বর সকালে রাজধানীর বনানী এলাকায় এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের ওপর থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে আঙুলের ছাপের মাধ্যমে জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যভাণ্ডার থেকে পরিচয় শনাক্ত করা হয়।
পরে তাঁর মুখে স্কচটেপ পেঁচিয়ে মরদেহ এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের ওপর ফেলে দেওয়া হয়।ঘটনার পর জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে র্যাব-১ ছায়াতদন্ত শুরু করে। সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত প্রধান সন্দেহভাজন বাসচালক সোহেল রানার অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পরে মহাখালী এলাকার ডেডিকেটেড কোভিড হাসপাতালের সামনে থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পরে পুলিশের সঙ্গে যৌথ অভিযান চালিয়ে বাসের সুপারভাইজার সাজু ও সহকারী মনিরকেও গ্রেপ্তার করা হয়।