এজন্য নবায়নযোগ্য জ্বালানি, বিশেষ করে সৌরশক্তির ব্যবহার সম্প্রসারণ, স্থানীয় উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং কৌশলগত জ্বালানি মজুদ গড়ে তোলার উদ্যোগ নিতে হবে। ‘জ্বালানি নিরাপত্তা ছাড়া শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান ও টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন সম্ভব নয়,’ বলেন তিনি।ড. তিতুমীর বলেন, অর্থনীতির চূড়ান্ত লক্ষ্য হওয়া উচিত কর্মসংস্থান সৃষ্টি, উৎপাদন বৃদ্ধি এবং মানুষের জীবনমান উন্নয়ন। শুধু প্রবৃদ্ধির হার বাড়লেই হবে না; উন্নয়নের সুফল সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাতে হবে। এ লক্ষ্য অর্জনে সরকার শিল্প পুনরুজ্জীবন, উৎপাদনমুখী বিনিয়োগ এবং মানবসম্পদ উন্নয়নে গুরুত্ব দিচ্ছে।সেমিনারে অংশগ্রহণকারী অর্থনীতিবিদ ও ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা বলেন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা অর্জনে নীতিগত ধারাবাহিকতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি। একই সঙ্গে রাজস্ব সক্ষমতা বৃদ্ধি, আর্থিক খাতের সংস্কার এবং জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতির কাঙ্ক্ষিত গতি অর্জন কঠিন হবে।
তারা মনে করেন, মুদ্রানীতি ও রাজস্বনীতির কার্যকর সমন্বয়, উৎপাদনশীল খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং শিল্পায়নের গতি ত্বরান্বিত করতে পারলেই দেশের অর্থনীতি নতুন গতিপথে এগিয়ে যাবে।