‘বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস- ২০২৬’ উপলক্ষে শনিবার নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত সেমিনারে তিনি এই মন্তব্য করেন। মন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্র যখন একটা বিজ্ঞান- একটি রাজনৈতিক সরকার দায়িত্ব নেয়ার পর জনগণের মনোজগতটা বোঝার জন্যই তাকে একজন বিজ্ঞানী হতে হয়। এটি জনগণের ভূত-ভবিষ্যৎ এবং বর্তমানকে নিশ্চিত করার একটা ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত বিজ্ঞান। ক্ষমতার মধ্যে এমন কিছু ভাইরাস থাকে। এ ব্যাপারে যদি রাজনৈতিক প্রজ্ঞা দিয়ে আগে থেকে এন্টিভাইরাস দেয়া না থাকে, তাহলে নতুন ভাইরাস দেবতাকেও কিন্তু শয়তানে পরিণত করতে পারি
তিনি বলেন নবীন সরকারকে যখনই আপনারা কোনো পরামর্শ দেবেন অথবা ধমক দেবেন তখন কিন্তু একটু বুঝে দেবেন যে, আমরা কিন্তু এখনো বিধ্বস্ত একটা গাড়িতে। সরকার কর্তৃত্ব প্রকাশ করতে চায় এটা যেমন সত্য, অনেকে খুব জঘন্যভাবেও করেছে। একই সময় এটাও কিন্তু সত্য যে, এই গণমাধ্যমের শিল্পের মালিক পক্ষ গণমাধ্যমের ক্ষমতাকে তার অন্য ব্যবসার কাজে লাগিয়েছেন। সেখানে সম্পূর্ণ একটা নতুন এজেন্ডা কাজ করেছে। গণমাধ্যম সম্পর্কে যে একটা সর্বসম্মত শ্রদ্ধাভাজন জনমত, সেটাকে কিন্তু তিনিও ব্যবহার করার চেষ্টা করেছেন। সরকার যেমন জোর করে ক্ষমতা রক্ষা করার কাজে লাগিয়েছেন, অনেক মালিকরাও কিন্তু এটাকে কাজে লাগিয়েছেন তার বিদেশ পাচারের টাকা অথবা অন্য অবৈধ উপায়ের টাকাকে বৈধতা দেয়ার জন্য । অথবা ব্ল্যাকমেইলিং ইন্সট্রুমেন্ট হিসেবে।







