• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৪৭ পূর্বাহ্ন
Headline
নলডাঙ্গায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত, গুরুত্ব পেল জনসচেতনতা যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী মাহমুদুল আলমের উদ্যোগে প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইল চেয়ার, সেলাই মেশিন ও ক্রাচ বিতরণ সান্তাহার পৌর যুবদলের উদ্যোগে নানা আয়োজনে ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত দুই বছরের মধ্যে স্বাস্থ্যখাতে আমূল পরিবর্তনের লক্ষ্য: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাংলাদেশের ৫ অগ্রাধিকার খাতে জাপানি বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে উদ্যোক্তা সৃষ্টিতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে: রাষ্ট্রপতি  বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সম্প্রসারণে সুইজারল্যান্ডের প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী  বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে আগ্রহী জাপান উন্নত বাংলাদেশ গড়তে প্রবাসী-দেশবাসীকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

ডেপুটি স্পিকারের নামে জাল ডিও লেটার, এসি-ল্যান্ডের বিরুদ্ধে মামলা

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক / ৩১ Time View
Update : শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬

জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার (বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত স্পিকার) ব্যারিস্টার কায়সার কামালের নামে জাল ডিও লেটার তৈরি করে বদলি প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তারের চেষ্টার অভিযোগে এক সহকারী কমিশনারের (এসি-ল্যান্ড) বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। রাজধানীর শেরেবাংলানগর থানায় এ মামলা দায়ের করা হয়।

মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে বরগুনা সদর উপজেলার এসি-ল্যান্ড শাওন মজুমদার সুমনকে। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা আরো কয়েকজনকে এতে আসামি করা হয়েছে।

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের গণসংযোগ অধিশাখা-১-এর পরিচালক মো. মনির হোসেন বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়, গত ২৪ জুলাই জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিবের মাধ্যমে বাদী জানতে পারেন— আসামি শাওন মজুমদার সুমন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের নামে একটি জাল ডিও পত্র তৈরি করেছেন।

এতে ডেপুটি স্পিকারের স্বাক্ষর ও সরকারি লেটারহেড জালিয়াতি করে ব্যবহার করা হয়। মূলত বদলি ঠেকাতে ও পছন্দমতো জায়গায় পদায়নের জন্য এই জালিয়াতির আশ্রয় নেওয়া হয়।ওই ভুয়া পত্রের মাধ্যমে এসি-ল্যান্ড শাওনকে বরগুনা সদর থেকে পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলায় বদলির আদেশ বাতিল করে ঢাকার কেরানীগঞ্জে পদায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে সুপারিশ করা হয়।

পরে বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে দেখা যায়, কথিত ডিও পত্রটি জাতীয় সংসদ সচিবালয় থেকে ইস্যু করা হয়নি।

পত্রে ব্যবহৃত ডেপুটি স্পিকারের স্বাক্ষর, ভাষা, বিন্যাস ও অন্যান্য নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য সরকারি রেকর্ডের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়ায় এটি প্রাথমিকভাবেই জাল বলে প্রমাণিত হয়।এজাহারে বাদী উল্লেখ করেন, এই জালিয়াতির মাধ্যমে ডেপুটি স্পিকারের সাংবিধানিক পদমর্যাদা ও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা হয়েছে। সেই সঙ্গে সরকারি কর্মকর্তাদের পদায়ন ও বদলি প্রক্রিয়ায় প্রতারণার মাধ্যমে অবৈধ প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা এবং রাষ্ট্রের প্রশাসনিক ব্যবস্থার প্রতি জনসাধারণের আস্থা নষ্টের অপচেষ্টা করা হয়েছে।

এ ঘটনার পেছনে কোনো সংঘবদ্ধ জালিয়াতি চক্র জড়িত থাকতে পারে বলে সন্দেহ বাদীর। প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনে আসামিদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন, কম্পিউটার, ই-মেইল, প্রিন্টিং উৎস এবং আর্থিক ও যোগাযোগের তথ্য তদন্তের পাশাপাশি ডিজিটাল ফরেনসিক পরীক্ষার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪৬৫ (জালিয়াতি), ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১, ৪২০ এবং ১২০-বি ধারায় অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে। পাশাপাশি অভিযোগের সঙ্গে কথিত জাল ডিও পত্র ও প্রকৃত প্যাডের নমুনা সংযুক্ত করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category