পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট-পরবর্তী সময় মোটেও মসৃণ ছিল না। তখন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অন্তর্বর্তী সরকারে আমাকে দায়িত্ব পালনের জন্য আহ্বান জানান। পরে তিনি আমাকে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা (ন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যাডভাইজার) হিসেবে দায়িত্ব দেন। তখন আমাদের সামনে অন্তত তিনটি বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। প্রথমত, প্রধান উপদেষ্টার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। দ্বিতীয়ত, সরকারের স্থিতিশীলতা বজায় রাখা। তৃতীয়ত, পুরো রূপান্তর (ট্রানজিশন) প্রক্রিয়াটি যেন একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়, তা নিশ্চিত করা।
মন্ত্রী বলেন, নানা ধরনের বাধা ও সমস্যা থাকলেও আমরা তিনটি লক্ষ্যই অর্জন করতে পেরেছি। নির্বাচনটি ছিল অত্যন্ত উত্সবমুখর। নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার গঠিত হয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্বাচন পর্যবেক্ষকরাও এটিকে একটি চমত্কার নির্বাচন হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
তিনি বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে যারা জীবন উত্সর্গ করেছেন, তাদের প্রতি আমরা গভীর শ্রদ্ধা জানাই। আন্দোলনের প্রতিটি শহীদ তাদের অসীম সাহস, নির্ভীক দৃষ্টিভঙ্গি ও দেশপ্রেমের মাধ্যমে আমাদের জন্য অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গেছেন। একই সঙ্গে সেই ঐতিহাসিক আত্মত্যাগের জীবন্ত সাক্ষী হয়ে যারা আমাদের মাঝে রয়েছেন, তাদের প্রতিও আমি গভীর সমবেদনা জানাই। মন্ত্রী আরো বলেন, তাদের ত্যাগ, সাহস ও অদম্য মনোবল দেশ ও মানুষের কল্যাণে আত্মোত্সর্গের আদর্শে আমাদের প্রজন্মের পর প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে।
অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব নজরুল ইসলাম এবং ফরেন সার্ভিস একাডেমির রেক্টর মোহাম্মদ আব্দুল মুহিত।







