রবিবার (২ আগস্ট) দুপুরে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
রবিবার (২ আগস্ট) দুপুরে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
সম্প্রতি কয়েকটি বোমাসংক্রান্ত ঘটনা ও নানা ধরনের গুজব ছড়ানোর বিষয়ে সতর্ক করে তিনি জানান, পুলিশের সব ধরনের যানবাহন ও স্থাপনার নিরাপত্তা বজায় রাখতেই সদস্যদের অধিক সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।
এর আগে শনিবার (১ আগস্ট) পুলিশ সদর দপ্তরের অপারেশন্স নিয়ন্ত্রণকক্ষ থেকে মাঠ পর্যায়ের সব ইউনিটে নিরাপত্তা জোরদারের বার্তা পাঠানো হয়। বার্তায় উগ্রবাদী সংগঠন বা দুর্বৃত্তরা পুলিশের ব্যবহৃত জিপ, পিকআপ ও বাসকে লক্ষ্যবস্তু করতে পারে উল্লেখ করে বলা হয়—ডিউটিরত গাড়ি নিরাপদ স্থানে পার্ক করা, পুলিশি নজরদারিতে রাখা এবং থানা ও পুলিশ লাইনসে রাখা গাড়ির সুরক্ষায় টহল ও নজরদারি বাড়াতে হবে।
এ বিষয়ে পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া) এইচ এম শাহাদাত হোসাইন জানান, সদস্যদের সক্রিয় ও সতর্ক রাখতে নিয়মিত এমন বার্তা দেওয়া হয়, এতে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।
এর আগে গত ২৪ জুলাই মতিঝিল মেট্রোরেল স্টেশনের নিচ থেকে ছাতার ভেতরে থাকা একটি আইইডি উদ্ধার করা হয়। ঘটনাটির তদন্ত করছে ডিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট, আর ডিবি করছে ছায়া তদন্ত।
এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘একক ব্যক্তি হিসেবে সাধারণত কেউ এটি করবে না। কোনো একটা ম্যান্ডেট বা মতাদর্শ প্রচারের জন্য এ ধরনের কর্মকাণ্ড করা হয়ে থাকে। তদন্ত চলমান থাকায় এই মুহূর্তে বেশি কিছু বলা যাচ্ছে না।
উল্লেখ্য, গত এক সপ্তাহে রাজধানীতে একাধিক বোমা-আতঙ্ক তৈরি হয়। ২৪ জুলাইয়ের ঘটনার পরদিন বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে এবং পরবর্তীতে মিরপুর-১০ ও ফার্মগেট মেট্রো রেল স্টেশনে সন্দেহজনক ব্যাগ ও বস্তা উদ্ধার করা হলেও পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাতে বিস্ফোরকের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি।