• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:২৫ অপরাহ্ন
Headline
প্রাথমিকে ৯৩, মাধ্যমিকের ৫৭ শতাংশ বই ছাপা শেষ, নভেম্বরে শতভাগ সরবরাহের লক্ষ্য ৪ বছরে ২ কোটি ৪০ লাখ কৃষক কার্ড দেবে সরকার ইউপি নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘনে প্রার্থিতা বাতিল, সর্বোচ্চ ২ বছরের কারাদণ্ড জাপানে টয়োটার মোতোমাচি কারখানা পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী ডিএফওর বিরুদ্ধে অর্থ ছাড় না দেওয়ার অভিযোগ, পাঁচ মাস ধরে ভাতা বন্ধ লাউয়াছড়ার কর্মীদের তুরাগ নদ থেকে বিমান বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার অস্তিত্ব হারানোর পথে আড়িয়াল খাঁ, ময়নাকাটা বিশ্ববাজারে আবার কমল জ্বালানি তেলের দাম বিদায়ের ক্ষণ গুনছেন নেতানিয়াহু নওগাঁর নিয়ামতপুরে আরডিআরএস বাংলাদেশের উদ্যোগে সাড়ে ৭ হাজার গাছের চারা বিতরণ

‘জিনের নির্দেশে’ দাফনের ১২ ঘণ্টা পর কবর থেকে মায়ের মরদেহ উত্তোলন করলো সন্তানেরা

জামালপুর প্রতিনিধি / ৫২ Time View
Update : রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬

দাফনের প্রায় ১২ ঘণ্টা পর এক বৃদ্ধার মরদেহ কবর থেকে তুলে হাসপাতালে নেওয়ার ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলায় দাফনের প্রায় ১২ ঘণ্টা পর এক বৃদ্ধার মরদেহ কবর থেকে তুলে হাসপাতালে নেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

শনিবার (১ আগস্ট) দিবাগত রাতে জেলার মেলান্দহ উপজেলার মাহমুদপুর ইউনিয়নের নয়াপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। মৃত হালিমা বেগম (৬৫) মরহুম সোহরাব আকন্দের স্ত্রী।

পরিবারের দাবি, মৃত নারীর ছেলে ও মেয়েকে ‘জিনে আসর’ করেছিল। তাদের দাবি ছিল, তাদের মা এখনো জীবিত। সেই বিশ্বাস থেকেই রাতে কবর থেকে মরদেহ উত্তোলন করে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার (১ আগস্ট) রাতে মরদেহটি প্রথমে মেলান্দহের একটি বেসরকারি হাসপাতালে এবং পরে জামালপুর শহরের আরেকটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে ইসিজিসহ প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে নিশ্চিত করেন। পরে মরদেহটি আবার বাড়িতে ফিরিয়ে নেওয়া হয়।

এলাকাবাসীর ভাষ্য, শনিবার সকাল ৮টার দিকে হালিমা বেগমের মরদেহ স্থানীয় কবরস্থানে দাফন করা হয়। দাফনের কয়েক ঘণ্টা পর পরিবারের কয়েকজন সদস্য অস্বাভাবিক আচরণ করতে শুরু করেন। একপর্যায়ে তারা দাবি করেন, মৃত নারীর ছেলে ও মেয়েকে ‘জিনে আসর’ করেছে এবং তারা বলছেন, হালিমা বেগম এখনো জীবিত রয়েছেন।

এরপর শনিবার রাতে পরিবারের সদস্যরা কবর খুঁড়ে মরদেহ উত্তোলন করেন। প্রথমে মরদেহটি মেলান্দহের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে আরও নিশ্চিত হওয়ার জন্য রাত সাড়ে ১১টার দিকে জামালপুর শহরের আরেকটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে ইসিজিসহ প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে পরিবারের সদস্যরা মরদেহটি বাড়িতে ফিরিয়ে নেন।

এ ঘটনায় পরিবারের সদস্যরা গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে রাজি হননি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category