• বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:১৮ অপরাহ্ন
Headline
মান্দায় দাবী মৌলিক উন্নয়ন সংস্থার উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ রাণীনগরে সরকারি সড়কের জায়গায় প্রধান শিক্ষকের দোকানপাট বড়লেখায় মালিকানা জমিতে বাঁধাসহ ৪ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ ব্যবসায়ীর সংবাদ সম্মেলন রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চীনের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষ্যে স্মারক ডাক টিকেট অবমুক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাবেক তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী আটক ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে ছয়জনের মৃত্যু, নতুন রোগী ১৪০২ চট্টগ্রামের বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ১২০ কোটি টাকা দেবে জাইকা সুনামগঞ্জে ফুটবল খেলা নিয়ে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ, আহত ৫০ কাশিমপুর কারাগার থেকে পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

শ্রমিক আন্দোলনে ভাঙচুর-আগুনের নেপথ্যে কারা, ব্যাখ্যা দিলেন আবিদ

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৬ Time View
Update : বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬

পোশাক খাতে চলমান শ্রমিক আন্দোলন সাধারণ শ্রমিকদের হাতছাড়া হয়ে গেছে এবং এর নেপথ্যে পতিত স্বৈরাচার ও নিষিদ্ধ সংগঠনের দেশীয়-আন্তর্জাতিক সুদূরপ্রসারী ষড়যন্ত্র কাজ করছে বলে দাবি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবিদুল ইসলাম খান।

মঙ্গলবার নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় তিনি এসব কথা বলেন।

ভিডিও বার্তায় আবিদ বলেন, তৈরি পোশাক শিল্প এলাকায় আন্দোলনের নামে যা চলছে, তা কোনোভাবেই আর সাধারণ শ্রমিকদের নিয়ন্ত্রণে নেই। পতিত স্বৈরাচারের দোসর ও তাদের নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা অগ্নিসন্ত্রাস ও ভাঙচুরের মাধ্যমে এই আন্দোলনকে একটি দেশবিরোধী রূপ দেওয়ার গভীর চক্রান্তে লিপ্ত রয়েছে।

তিনি জানান, সরকার দুই দিন আগেই মজুরি বোর্ড গঠন করেছে এবং খুব দ্রুতই সেখান থেকে ইতিবাচক মজুরি বাড়ানোর ঘোষণা আসার কথা রয়েছে। কিন্তু পতিত স্বৈরাচারপন্থি কিছু সুবিধাভোগী গার্মেন্টস মালিক শ্রমিকদের ভুল বুঝিয়ে মাঠে নামিয়ে রাখছে। মালিকপক্ষের একটি অংশ শ্রমিকদের বিভ্রান্ত করছে এই বলে যে—‘মালিকরা বেতন বাড়াতে চাইলেও সরকার বাধা দিচ্ছে এবং কাজ বন্ধ রাখতেই মজুরি বোর্ড করেছে।’ পাশাপাশি পতিত স্বৈরাচারের অর্থায়নে শ্রমিকদের নগদ টাকা দিয়ে মাঠে রাখা হচ্ছে।

গাজীপুর ও মিরপুরের উদাহরণ টেনে ছাত্রদলের এই নেতা বলেন, চার থেকে পাঁচটি কারখানার স্বৈরাচারপন্থি মালিক যদি তৎপর হয়, তবে অনায়াসেই ১০ থেকে ২০ হাজার শ্রমিককে রাস্তায় নামিয়ে রাখা সম্ভব। তিনি উল্লেখ করেন, পুলিশি গোয়েন্দা প্রতিবেদন অনুযায়ী সারা দেশ থেকে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীদের গাজীপুরে জড়ো করা হয়েছে। একদিকে শ্রমিকদের সামনে রেখে অন্যদিকে পেছনের সারির সন্ত্রাসীদের দিয়ে বাসে আগুন, গাড়ি ভাঙচুর ও রাষ্ট্রীয় সম্পদ ধ্বংসের মতো নৈরাজ্য চালানো হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের তথ্য তুলে ধরে আবিদুল ইসলাম বলেন, আগামী ডিসেম্বর থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে ভারত গার্মেন্টস খাতে শতভাগ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি কার্যকরের প্রস্তুতি নিচ্ছে। দক্ষিণ এশিয়ায় এতদিন বাংলাদেশই এককভাবে এ ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দিয়েছে। বাংলাদেশের এই বিপুল বাজার দখল করতে ভারত মরিয়া হয়ে উঠেছে। এমনকি বিগত কয়েক সপ্তাহে কিছু ভারতীয় ইনফ্লুয়েন্সার বাংলাদেশে এসে ঘুরে গিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের পোশাক শিল্প নিয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত নেতিবাচক প্রচারণা চালিয়েছে।

তিনি স্পষ্ট করে বলেন, দেশীয় নৈরাজ্য ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের শিকার আমাদের এই তৈরি পোশাক খাত। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ও রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা রক্ষা করতে এই ধ্বংসযজ্ঞের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার পূর্ণ অধিকার সরকারের রয়েছে। এ মুহূর্তে আন্দোলনের নামে মাঠে নেমে ধ্বংসাত্মক কার্যক্রম চালানোর কোনো নৈতিক বা আইনি বৈধতা নেই।

গণহত্যাকারী কোনো শক্তিকে বাংলাদেশের মাটিতে আর কখনোই মাথা তুলে দাঁড়াতে দেওয়া হবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, জনগণ, সরকার ও সব গণতান্ত্রিক দল ঐক্যবদ্ধভাবে এই গভীর চক্রান্ত রুখে দেবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category