শিক্ষাব্যবস্থায় অর্জিত দক্ষতা ও নিয়োগদাতাদের চাহিদার মধ্যে ব্যবধানকে এ সমস্যার অন্যতম কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি বাংলাদেশের শ্রমবাজারে অনানুষ্ঠানিক খাতের আধিপত্যও বড় চ্যালেঞ্জ। এ খাতে অনেক শ্রমিকের নিয়মিত আয়, চাকরির নিরাপত্তা ও পেশাগত উন্নতির সুযোগ সীমিত।
তবে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী বৃদ্ধির মাধ্যমে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাড়ানোর সুযোগও রয়েছে বাংলাদেশের সামনে। আইএমএফের প্রাক্কলন অনুযায়ী, ২০২৫ থেকে ২০৩৫ সালের মধ্যে দেশে ১৫ থেকে ৬৪ বছর বয়সী কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী ১০ থেকে ১২ শতাংশ বাড়বে।
এদিকে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) প্রভাব এশিয়ার শ্রমবাজারেও পরিবর্তন আনছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এআইয়ের প্রভাব বেশি এমন পেশায় নিয়োগের চাহিদা তুলনামূলক কম প্রভাবিত পেশার চেয়ে প্রায় ১০ শতাংশ কমেছে। অন্যদিকে, এআই-সংক্রান্ত দক্ষতাসম্পন্ন কর্মীদের চাহিদা বাড়ছে।
এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে মানসম্মত কর্মসংস্থান সৃষ্টি, প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষতা উন্নয়ন এবং শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে শ্রমবাজারের চাহিদার সমন্বয় জরুরি হয়ে উঠেছে।