রবিবার (১১ অক্টোবর) রাজবাড়ী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও জেলা ও দায়রা জজ মো. তৌহিদুল ইসলাম এ রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। দণ্ডপ্রাপ্ত ফারুক পাংশা উপজেলার নিশ্চিন্তপুর গ্রামের আহম্মদ খার ছেলে।
জরিমানার অর্থ ভুক্তভোগীকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
আদালত রায়ে ফারুকের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারার অপরাধ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাকে দোষী সাব্যস্ত করেন। পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা ভুক্তভোগীর ক্ষতিপূরণ হিসেবে আদায়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আসামির বর্তমান সম্পদ থেকে অর্থ আদায় সম্ভব না হলে ভবিষ্যতে অর্জিত সম্পদ থেকে তা আদায় করা যাবে। এ ছাড়া জন্ম নেয়া এই পুত্রকে ফারুকের জৈবিক সন্তান হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে আইনানুগ অধিকার নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। সন্তানের ভরণপোষণের অর্থ নির্ধারণ ও বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে রাজবাড়ীর জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর জাহিদ উদ্দিন মোল্লা বলেন, আদালতের এ রায়ের মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। একই সঙ্গে ভুক্তভোগীর ক্ষতিপূরণ এবং সন্তানের ভরণপোষণ নিশ্চিত করার নির্দেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত। এ রায় নারী ও শিশু নির্যাতনের মতো অপরাধের বিরুদ্ধে আইন প্রয়োগের গুরুত্ব তুলে ধরে।