• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১৮ অপরাহ্ন
Headline
ঠাকুরগাঁও-১ উপ-নির্বাচন বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীনের ভূমিধস জয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির বৈঠক  ডিজেল, পেট্রোল ও অকটেনের দাম অপরিবর্তিত থাকছে নোয়াখালীতে অস্ত্র তৈরির কারিগর গ্রেপ্তার, বন্দুক ও সরঞ্জাম উদ্ধার যুবদল আপনাদের প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, ভাই: বিএনপি নেতাদের সহযোগিতার আহ্বান মুন্নার টয়োটার প্রথম প্রাইভেট কারে উঠলেন প্রধানমন্ত্রী মদিনার যে স্থানে নবী কারিম (সা.) তিনটি দোয়া করেছিলেন সৌদি আরবে প্রবাসী শ্রমিকদের ওপর বর্বর নির্যাতন, মৃত্যুদন্ড ও শিরশ্ছেদ বন্ধ করুন শ্রমিক বিক্ষোভ সমাবেশে সাইফুল হক উৎসবমুখর পরিবেশে ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ সম্পন্ন  ৫৫ প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ, দুদকের মামলায় সাবেক চেয়ারম্যানসহ ১০ জন

রণধীর জয়সওয়াল গঙ্গা চুক্তি নবায়নে আলোচনা চলবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক / ৫২ Time View
Update : শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

  • গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে এটি নবায়ন নিয়ে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে আলোচনা অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে নয়াদিল্লি। তবে আলোচনার পরবর্তী ধাপ বা যৌথ নদী কমিশনের বৈঠকের নির্দিষ্ট কোনো দিনক্ষণ এখনো জানানো হয়নি। গতকাল শুক্রবার সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেছেন, পানি-সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে দুই দেশের যৌথ নদী কমিশনের মাধ্যমে কারিগরি পর্যায়ের আলোচনা অব্যাহত থাকবে।

ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিক জানতে চান, ১৯৯৬ সালের গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ আগামী ডিসেম্বরে শেষ হতে যাচ্ছে। চুক্তিটি নবায়নের জন্য দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের অনুমোদন ও প্রধানমন্ত্রী পর্যায়ে স্বাক্ষরের প্রয়োজন হবে। এ অবস্থায় চুক্তির বর্তমান পরিস্থিতি কী?

জবাবে জয়সওয়াল বলেছেন, ‘পানি-সংক্রান্ত বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনার জন্য আমাদের যৌথ নদী কমিশন রয়েছে। কারিগরি পর্যায়ের বৈঠক অব্যাহত থাকবে।’

১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ভারতের সঙ্গে গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি সই হয়। ৩০ বছর মেয়াদি ওই চুক্তি অনুযায়ী প্রতি বছর ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ মে পর্যন্ত ফারাক্কা থেকে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে গঙ্গার পানি বণ্টন করা হয়। চুক্তিতে ৪০ বছরের গড় প্রবাহের ভিত্তিতে পানি ভাগাভাগির পাশাপাশি সংকটের সময় বাংলাদেশকে ৩৫ হাজার কিউসেক পানি সরবরাহের নিশ্চয়তাও রাখা হয়েছে।

চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে এটি নবায়ন নিয়ে অবশ্য ভারতের ভেতরেও আলোচনা শুরু হয়েছে। বিহারের ক্ষমতাসীন দল জনতা দলের (ইউ) রাজ্যসভার সদস্য সঞ্জয় ঝা চুক্তিটি নবায়ন না করার দাবি তুলেছেন।

বিহারের উপ-মুখ্যমন্ত্রী ও পানিসম্পদমন্ত্রী বিজয় কুমারও দাবি করেছেন, গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তিতে বিহারের স্বার্থ উপেক্ষিত হয়েছে।

বিজয় কুমারের ভাষ্য, ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর চুক্তি নবায়নের সময় বিহারের উদ্বেগগুলো বিবেচনায় নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।

অন্যদিকে, ঢাকা চুক্তিটি নবায়ন হবে বলে আশাবাদী। গত ৯ জুলাই এক ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ বলেছেন, দ্বিপক্ষীয় আলোচনায় গঙ্গা চুক্তি ও গঙ্গার পানির গুরুত্ব ভারত বুঝবে এবং দুই দেশের সম্পর্ক যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে বিষয়টি বিবেচনায় রেখেই নয়াদিল্লি সিদ্ধান্ত নেবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।

গঙ্গার পানি নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ভারতের সঙ্গে করা বিভিন্ন চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক পর্যালোচনার বিষয়টিও সামনে এসেছে। গত ১১ সেপ্টেম্বর এক সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি বলেছেন, ভারতের সঙ্গে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় করা ১০১টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সরকার পর্যালোচনা করছে। এর ফল দ্রুত পাওয়া যাবে বলেও জানান তিনি।

তবে এসব চুক্তি পর্যালোচনার বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ কিছু জানায়নি বলে জানিয়েছে ভারত। শুক্রবারের ব্রিফিংয়ে এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে জয়সওয়াল বলেছেন, সংবাদমাধ্যমে তারা এ ধরনের খবর দেখেছেন, কিন্তু ঢাকার পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতকে কিছু জানানো হয়নি।

চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর ব্যবহারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কিছু চুক্তি নিয়েও বাংলাদেশের পক্ষ থেকে কোনো উদ্বেগ জানানো হয়েছে কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেছেন, আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। তবে প্রয়োজন হলে ভারত তার স্বার্থ সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category