সকাল ১০টায় সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিনের উদ্বোধনী বক্তব্যের মধ্য দিয়ে আয়োজন শুরু হয়। তিনি নবীন শিক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা জানান এবং কুইজ চর্চার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
এবারের কুইজ ফেস্টে পাঁচটি পর্ব ছিল—ইন্টার-ডিপার্টমেন্ট, ইন্টার-হল, ইন্টার-ক্লাব, সোলো কুইজ ও নোভিস কুইজ। এর মধ্যে ইন্টার-ক্লাব পর্ব এবারই প্রথম যুক্ত করা হয়েছে। এ পর্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের ৩৬টি দল অংশ নেয়।
মূল আয়োজনের শুরুতে ইন্টার-ডিপার্টমেন্ট পর্বের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন বিভাগ ও অনুষদের ৭৯টি দল অংশ নেয়। ইন্টার-হল পর্বে অংশ নেয় বিভিন্ন হলের আবাসিক শিক্ষার্থীদের ৬৭টি দল। আর সোলো কুইজে অংশ নেন ৪৩৬ জন প্রতিযোগী। নবীনবরণের অংশ হিসেবে এ পর্বে বিনা মূল্যে নিবন্ধনের সুযোগ রাখা হয়।
নবীন শিক্ষার্থীদের জন্য আয়োজিত নোভিস কুইজের প্রথম পর্বে অংশ নেয় ৭৪টি দল। পরে জোনাল রাউন্ড থেকে চারটি এবং সেমিফাইনাল থেকে দুটি দল নিয়ে মোট ছয়টি দল চূড়ান্ত মঞ্চ প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। এরপর ইন্টার-ডিপার্টমেন্ট ও ইন্টার-হল পর্বের চূড়ান্ত রাউন্ড অনুষ্ঠিত হয়।
ডিইউকিউএসের সভাপতি রোদাবা জামান আদৃতা বলেন, প্রতিবছরের ধারাবাহিকতায় কুইজ ফেস্টের মাধ্যমে নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ করে নেওয়া হচ্ছে। এবার ইন্টার-ক্লাব নামে নতুন একটি পর্ব যুক্ত করা হয়েছে। নিয়মিত কুইজ চর্চার মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কুইজে তার সুনাম ধরে রাখতে সক্ষম হবে বলে আশা করেন তিনি।
প্রতিযোগিতা শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী বিজয়ী, রানার্সআপ ও কুইজমাস্টারদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। তিনি একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি সহশিক্ষা কার্যক্রমে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
পরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও নবীনবরণ পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। এতে ডিইউকিউএসের সদস্যরা নাচ, গান, আবৃত্তি ও অভিনয় পরিবেশন করেন। নবীন শিক্ষার্থীদের উপহারসামগ্রীও দেওয়া হয়।







