• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:২২ অপরাহ্ন
Headline
নলডাঙ্গায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত, গুরুত্ব পেল জনসচেতনতা যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী মাহমুদুল আলমের উদ্যোগে প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইল চেয়ার, সেলাই মেশিন ও ক্রাচ বিতরণ সান্তাহার পৌর যুবদলের উদ্যোগে নানা আয়োজনে ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত দুই বছরের মধ্যে স্বাস্থ্যখাতে আমূল পরিবর্তনের লক্ষ্য: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাংলাদেশের ৫ অগ্রাধিকার খাতে জাপানি বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে উদ্যোক্তা সৃষ্টিতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে: রাষ্ট্রপতি  বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সম্প্রসারণে সুইজারল্যান্ডের প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী  বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে আগ্রহী জাপান উন্নত বাংলাদেশ গড়তে প্রবাসী-দেশবাসীকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

বারবার পে স্কেলের গেজেট প্রকাশের তারিখ পেছানোর নেপথ্যে কী?

অর্থনীতি প্রতিবেদন / ৪৮ Time View
Update : রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সরকারি চাকরিজীবীদের বহুল প্রতীক্ষিত নবম জাতীয় বেতন কাঠামো বা নতুন পে স্কেলের গেজেট প্রকাশ নিয়ে ফের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। 

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) নতুন বেতন কাঠামোর গেজেট প্রকাশ হওয়ার কথা থাকলেও শেষ মুহূর্তে তা হওয়ার সম্ভাবনা কম বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র। ফলে দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষায় থাকা সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে নতুন করে দেখা দিয়েছে উদ্বেগ।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, রোববার গেজেট প্রকাশ না হলেও এই সপ্তাহেই তা প্রকাশ করা হতে পারে। সম্ভাব্য তারিখ হিসেবে ১০ সেপ্টেম্বরের কথা শোনা যাচ্ছে। তবে নির্দিষ্ট তারিখ নির্ভর করছে বাকি থাকা প্রশাসনিক ও আইনগত প্রক্রিয়া কত দ্রুত শেষ হয় তার ওপর।

কেন বারবার পেছাচ্ছে গেজেট

সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য, পে স্কেলের গেজেট প্রকাশে মূল বাধা কোনো নীতিগত সিদ্ধান্ত নয়; বরং এর সঙ্গে জড়িত ধারাবাহিক প্রশাসনিক ও আইনগত প্রক্রিয়া। মন্ত্রিসভায় পে স্কেল অনুমোদনের পরও সরাসরি গেজেট প্রকাশ করা যায় না। এর আগে প্রজ্ঞাপনের খসড়া প্রস্তুত, সরকারি মুদ্রণ প্রক্রিয়া, সংশ্লিষ্ট দপ্তরের যাচাই এবং আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিংসহ কয়েকটি ধাপ সম্পন্ন করতে হয়।

জানা গেছে, নবম জাতীয় পে স্কেলের রেজুলেশন ইতোমধ্যে বাংলাদেশ সরকারি মুদ্রণালয়ে (বিজি প্রেস) পাঠানো হয়েছে। সেখানে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে তা আবার অর্থ মন্ত্রণালয়ে আসবে। এরপর খসড়াটি আইন মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের জন্য পাঠানো হবে। ভেটিং শেষ হওয়ার পর এসআরও নম্বর দিয়ে চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ করা হবে।

অর্থাৎ, মন্ত্রিসভায় অনুমোদন হয়ে গেলেও গেজেট প্রকাশের আগে একাধিক দাপ্তরিক ধাপ থাকায় নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করা কঠিন হয়ে পড়ছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অর্থ মন্ত্রণালয়ের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, ‘রেজুলেশন বিজি প্রেসে পাঠানো হয়েছে। বিজি প্রেসের প্রক্রিয়া শেষে এটি অর্থ মন্ত্রণালয়ে আসবে। এরপর আইন মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের জন্য পাঠানো হবে। সবশেষে এসআরও নম্বর দিয়ে গেজেট প্রকাশ করা হবে। আশা করছি, বাকি কাজ ও প্রক্রিয়া চলতি সপ্তাহেই হয়ে যাবে।’

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পরও প্রজ্ঞাপন জারির ক্ষেত্রে প্রশাসনিক ও আইনগত আনুষ্ঠানিকতা শেষ করার প্রয়োজন রয়েছে। এসব ধাপ সম্পন্ন করতেই প্রত্যাশার তুলনায় কিছুটা বেশি সময় লাগছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category