• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ পূর্বাহ্ন
Headline
নলডাঙ্গায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত, গুরুত্ব পেল জনসচেতনতা যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী মাহমুদুল আলমের উদ্যোগে প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইল চেয়ার, সেলাই মেশিন ও ক্রাচ বিতরণ সান্তাহার পৌর যুবদলের উদ্যোগে নানা আয়োজনে ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত দুই বছরের মধ্যে স্বাস্থ্যখাতে আমূল পরিবর্তনের লক্ষ্য: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাংলাদেশের ৫ অগ্রাধিকার খাতে জাপানি বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে উদ্যোক্তা সৃষ্টিতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে: রাষ্ট্রপতি  বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সম্প্রসারণে সুইজারল্যান্ডের প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী  বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে আগ্রহী জাপান উন্নত বাংলাদেশ গড়তে প্রবাসী-দেশবাসীকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

আজ আখেরি চাহার সোম্বা: যে কারণে দিনটি গুরুত্বপূর্ণ

বর্তমান বাংলাদেশ ডেস্ক / ৫৯ Time View
Update : বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬

ছবি: সংগৃহীত

আজ আখেরি চাহার সোম্বা। হিজরি সনের সফর মাসের শেষ বুধবারকে আখেরি চাহার সোম্বা বলা হয়। ‘আখেরি’ আরবি শব্দ, যার অর্থ শেষ। আর ‘চাহার সোম্বা’ ফারসি শব্দ, যার অর্থ বুধবার। অর্থাৎ, সফর মাসের শেষ বুধবারই আখেরি চাহার সোম্বা নামে পরিচিত।

মুসলিম সমাজে দিনটি দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বের সঙ্গে পালিত হয়ে আসছে। এ উপলক্ষ্যে দেশের বিভিন্ন স্থানে দোয়া, মিলাদ মাহফিল, ওয়াজ-নসিহত ও মোনাজাতের আয়োজন করা হয়।

যে কারণে দিনটি গুরুত্বপূর্ণ

বর্ণিত আছে, হযরত মুহাম্মদ (সা.) ইন্তেকালের আগে সফর মাসের শেষ সপ্তাহে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। পরে ওই মাসের শেষ বুধবার তিনি কিছুটা সুস্থ বোধ করেন। সেদিন গোসল করে কিছু পানাহার শেষে মসজিদে নববিতে গিয়ে নামাজের ইমামতি করেন। এতে উপস্থিত সাহাবিরা অত্যন্ত আনন্দিত হন।

নবীজি (সা.) এর অসুস্থতা, অসুস্থতাকালীন অবস্থা, কর্ম ইত্যাদি বিশদভাবে বহু হাদিসে বর্ণিত হয়েছে। সেসব বর্ণনায় নির্দিষ্টভাবে দিন, তারিখ বা সময় উল্লেখ নেই। তাই তাঁর অসুস্থতা সম্পর্কে বিভিন্ন মত হয়েছে।

প্রচলিত বর্ণনা অনুযায়ী, রাসুলুল্লাহ (সা.) জীবনে শেষবারের মতো রোগমুক্তি লাভ করেন বলে দিনটিকে মুসলিমরা প্রতি বছর শুকরিয়া দিবস হিসেবে পালন করেন এবং নফল এবাদত-বন্দেগির মাধ্যমে দিনটি কাটান। তাই মুসলিমদের কাছে আখেরি চাহার সোম্বার গুরুত্ব ও মহিমা অপরিসীম।

কী কী আমল করা হয়?

আখেরি চাহার সোম্বা উপলক্ষে অনেকে নফল নামাজ আদায়, দোয়া, জিকির-আজকার ও কোরআন তিলাওয়াত করেন। পাশাপাশি গরিব ও অসহায় মানুষের মধ্যে খাবার, অর্থ বা প্রয়োজনীয় সামগ্রী বিতরণের প্রচলনও রয়েছে।

তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, আখেরি চাহার সোম্বার জন্য ইসলামে নির্দিষ্ট কোনো ফরজ বা ওয়াজিব আমল নির্ধারিত নেই। তাই এদিন সাধারণ নফল ইবাদত, দোয়া, জিকির ও দান-সাদকা করা যেতে পারে। কিন্তু এসব আমলকে আখেরি চাহার সোম্বার জন্য বাধ্যতামূলক বা নির্দিষ্ট সুন্নত হিসেবে গণ্য করার বিষয়ে আলেমদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category