• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪২ অপরাহ্ন
Headline
নলডাঙ্গায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত, গুরুত্ব পেল জনসচেতনতা যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী মাহমুদুল আলমের উদ্যোগে প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইল চেয়ার, সেলাই মেশিন ও ক্রাচ বিতরণ সান্তাহার পৌর যুবদলের উদ্যোগে নানা আয়োজনে ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত দুই বছরের মধ্যে স্বাস্থ্যখাতে আমূল পরিবর্তনের লক্ষ্য: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাংলাদেশের ৫ অগ্রাধিকার খাতে জাপানি বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে উদ্যোক্তা সৃষ্টিতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে: রাষ্ট্রপতি  বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সম্প্রসারণে সুইজারল্যান্ডের প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী  বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে আগ্রহী জাপান উন্নত বাংলাদেশ গড়তে প্রবাসী-দেশবাসীকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

সাগরে মিলছে না ইলিশ হতাশ জেলেরা

চট্টগ্রাম ব্যুরো / ৪৫ Time View
Update : শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬

বাজারে দাম আকাশছোঁয়া

চট্টগ্রামে ভরা মৌসুমেও জেলেদের জালে আশানুরূপ ইলিশ ধরা পড়ছে না। ইলিশের অভাবে খাঁখাঁ করছে আড়তগুলো। যেন সাগরে চলছে ইলিশের আকাল। এতে চট্টগ্রামের জেলেরা হতাশ। অনেকে যে খরচ করে সাগরে মাছ ধরতে যাচ্ছেন, সেই টাকাই তুলতে পারছেন না। নেই ক্রেতা-বিক্রেতাদের হাঁকডাক। অন্য বছর এই সময়ে চট্টগ্রামের আড়তগুলো ইলিশ মাছে ভরপুর থাকত। চট্টগ্রামের বাজারে ইলিশ নেই বললেই চলে। অল্প যা মিলছে তার দাম আকাশছোঁয়া।

টানা ৬৫ দিনের সরকারি নিষেধাজ্ঞা শেষে নতুন আশায় সাগরে নামলেও অধিকাংশ নৌকা ফিরছে প্রায় খালি হাতে। কোথাও দুই-এক কেজি, কোথাও পাঁচ-ছয় কেজি ইলিশ মিললেও তা দিয়ে জ্বালানি, বরফ, শ্রমিকের মজুরি ও অন্যান্য খরচ উঠছে না। ফলে হতাশা আর অনিশ্চয়তায় দিন কাটছে। আগের তুলনায় হিসাব করলে শতকরা ১০ শতাংশ ইলিশ ধরা পড়ছে। ফলে দামও চড়া। তীরে মাছবোঝাই ট্রলার ভিড়লেই হামলে পড়েন মাছ ব্যবসায়ীরা। জেলেরা গভীর সমুদ্র থেকে মাছ শিকার করে নিয়ে এসে এখানে বিকিকিনি হয়।

অবশেষে দীর্ঘ ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞার পর জেলেদের উপস্থিতিতে সাগরে ফিরবে প্রাণ। জেলেরা আশা করেছিল আবারও সরগরম হয়ে উঠবে চট্টগ্রামের জেলে পল্লি, মাছবাজার ও মৎস্যঘাট। কিন্তু আশানুরূপ ইলিশ ধরা না পড়াতে জেলেদের কপালে হাত। শুক্রবার নগরীর আকমল আলী ঘাট, ফিশারি ঘাট এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, আড়তগুলো খাঁখাঁ করছে। সাগরে আশানুরূপ মাছ না পেয়ে জেলেরা মন খারাপ করে বসে আছেন। ফিশারিঘাটে জেলেরা জাল গুটিয়ে অলস সময় পার করছেন। আবার কেউ কেউ জাল-দড়ি পারিষ্কার করছেন। অন্যান্য বছর এসময়ে সাগরে থাকত ট্রলারের মিছিল। জাল ফেললেই মিলত ইলিশ। জেলেদের মুখে থাকত আনন্দের হাসি।

কয়েক জেলে জানান, ইলিশ শিকারের লক্ষ্যে ধারদেনা করে জাল-দড়ি বানিয়েছিলেন অনেকে। পরিকল্পনা ছিল মাছ বিক্রি করে ঋণ শোধ করবেন। কিন্তু আশানুরূপ মাছ না পাওয়াতে তাদের এবার খরচের টাকাই উঠছে না। ফলে ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে চরম হতাশার মধ্যে পড়েছেন তারা। নগরীর রাসমনি ঘাটের আড়তদার রফিকুল ইসলাম জানান, আমার ১২টি মাছ ধরার ট্রলার রয়েছে। নিষেধাজ্ঞা শেষে মনে করেছিলাম আগের মতো ইলিশ ধরা পড়বে। কিন্তু সে আশায় গুড়েবালি। ইলিশ নেই বললেই চলে। অন্যান্য বছর অভিযান শেষে অনেক মাছ ধরা পড়েছে এবং আড়তে এসেছে। কিন্তু এবার তার দশ ভাগের এক ভাগও উঠছে না। পরিবার-পরিজন নিয়ে কষ্টে আছি। কীভাবে পরিবার চালাব বুঝতে পারছি না। মহাজনের দাদনের টাকাইবা শোধ করব কিভাবে?


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category