বৃহস্পতিবার ভোর থেকে আন্দোলনকারীরা প্রধান প্রধান সড়কে অবস্থান নিয়েছে। তারা খাগড়াছড়ি-ঢাকা আঞ্চলিক মহাসড়কের হেয়াকো ও বালুটিলা বাজার, হেয়াকো-ফটিকছড়ি- চট্টগ্রাম সড়কের বিভিন্ন স্থানে ব্যারিকেড দিয়েছে।
এতে খাগড়াছড়ি- ঢাকা আঞ্চলিক মহাসড়ক ও হেয়াকো-ফটিকছড়ি-চট্টগ্রাম সড়কে সকল প্রকার যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। এছাড়া উত্তর ফটিকছড়ির হেয়াকো, বাগানবাজার, চিকনছড়া, নারায়নহাট, দাঁতমারা, বালুটিলাসহ প্রায় সকল বাজারের দোকানপাট বন্ধ রয়েছে।
এর আগে বুধবার (১৫ জুলাই) হেয়াকো বাজারে সমন্বয় পরিষদের ব্যানারে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচির ঘোষণা দেন।
সংগঠনটির দাবি, নবগঠিত উপজেলার সদর দপ্তর এমন স্থানে স্থাপন করতে হবে যেন অন্তর্ভুক্ত ছয়টি ইউনিয়নের বাসিন্দারা সমানভাবে সহজে যাতায়াত করতে পারেন এবং সরকারি সেবা নির্বিঘ্নে গ্রহণ করতে পারেন।
আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, বর্তমানে ঘোষিত স্থানে সদর দপ্তর স্থাপন করা হলে অধিকাংশ মানুষের যাতায়াতে অতিরিক্ত সময় ও অর্থ ব্যয় হবে। এ কারণে তারা দীর্ঘদিন ধরে মানববন্ধন, সংবাদ সম্মেলন, স্মারকলিপি প্রদানসহ বিভিন্ন শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করে আসছেন। কিন্তু দাবি বাস্তবায়নে কার্যকর কোনো উদ্যোগ না পাওয়ায় হরতালের মতো কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হয়েছেন বলে জানান তারা।
আন্দোলনের নেতারা বলেন, দ্রুত সদর দপ্তরের স্থান পুনর্বিবেচনা করে যৌক্তিক স্থানে নির্ধারণ করা না হলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
এদিকে, যে কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে মহাসড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।








