• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:০৩ পূর্বাহ্ন
Headline
নলডাঙ্গায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত, গুরুত্ব পেল জনসচেতনতা যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী মাহমুদুল আলমের উদ্যোগে প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইল চেয়ার, সেলাই মেশিন ও ক্রাচ বিতরণ সান্তাহার পৌর যুবদলের উদ্যোগে নানা আয়োজনে ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত দুই বছরের মধ্যে স্বাস্থ্যখাতে আমূল পরিবর্তনের লক্ষ্য: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাংলাদেশের ৫ অগ্রাধিকার খাতে জাপানি বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে উদ্যোক্তা সৃষ্টিতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে: রাষ্ট্রপতি  বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সম্প্রসারণে সুইজারল্যান্ডের প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী  বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে আগ্রহী জাপান উন্নত বাংলাদেশ গড়তে প্রবাসী-দেশবাসীকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

বিদেশি মালিকানাধীন শিল্পপ্রতিষ্ঠান সহজ হলো বৈদেশিক ঋণ গ্রহণের সুযোগ

অর্থনীতি ডেস্ক বর্তমান বাংলাদেশ / ৭২ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬

বাংলাদেশে পরিচালিত শতভাগ বিদেশি মালিকানাধীন শিল্পপ্রতিষ্ঠানের জন্য বৈদেশিক ঋণ গ্রহণের বিধান আরও সহজ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন নীতিমালার আওতায় বিশেষায়িত অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং এর বাইরে পরিচালিত যোগ্য শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো বিদেশে থাকা তাদের মূল কোম্পানি, সহযোগী প্রতিষ্ঠান বা শেয়ারহোল্ডারদের কাছ থেকে নির্ধারিত শর্তে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি ঋণ গ্রহণ করতে পারবে।
এর মাধ্যমে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের অর্থায়নে নমনীয়তা বাড়বে এবং শিল্প খাতে মূলধন প্রবাহ সহজ হবে বলে মনে করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।গতকাল এ বিষয়ে একটি সার্কুলার জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এতে ইপিজেড, পিইপিজেড, অর্থনৈতিক অঞ্চল, হাইটেক পার্ক এবং এসব অঞ্চলের বাইরে পরিচালিত শতভাগ বিদেশি মালিকানাধীন শিল্পপ্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। বাংলাদেশ প্রতিদিনের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

সার্কুলার অনুযায়ী, বিশেষায়িত অঞ্চলের বাইরে পরিচালিত উৎপাদন ও সেবা খাতের বিদেশি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যবসায়িক প্রয়োজনে বিদেশি মূল কোম্পানি, সহযোগী প্রতিষ্ঠান অথবা শেয়ারহোল্ডারদের কাছ থেকে স্বল্পমেয়াদি ঋণ নিতে পারবে। কার্যকরী মূলধনের জন্য সুদবিহীন ঋণ গ্রহণে বাংলাদেশ ব্যাংকের পূর্বানুমোদনের প্রয়োজন হবে না। একই সঙ্গে সুদযুক্ত ঋণের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বার্ষিক অল-ইন-কস্ট ৩ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ ধরনের ঋণের মূল অর্থ ও সুদ এককালীন (বুলেট) পরিশোধ করতে হবে এবং সর্বোচ্চ তিন বছর পর্যন্ত রোলওভার করা যাবে।

তবে এ ঋণকে মধ্যমেয়াদি বা দীর্ঘমেয়াদি ঋণে রূপান্তর করা যাবে না। বিদেশি নিয়ন্ত্রিত শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষেত্রেও একই সুবিধা প্রযোজ্য হবে। এ ছাড়া অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংকগুলোকে প্রতিটি লেনদেন সম্পন্ন হওয়ার এক সপ্তাহের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকে প্রতিবেদন জমা দিতে হবে। মধ্যমেয়াদি (এক থেকে পাঁচ বছর) ঋণের অর্থ মূলধনি যন্ত্রপাতি, শিল্প সরঞ্জাম, বৈধ সেবা এবং অবকাঠামো নির্মাণে ব্যবহার করা যাবে। সুদবিহীন ঋণের সীমা সর্বোচ্চ ৫ কোটি মার্কিন ডলার এবং সুদযুক্ত ঋণের সীমা ৫০ লাখ মার্কিন ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে।
সুদযুক্ত ঋণের ক্ষেত্রেও সর্বোচ্চ ব্যয় ৩ শতাংশের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে। নির্ধারিত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে মধ্যমেয়াদি ঋণ দীর্ঘমেয়াদি ঋণে রূপান্তরের সুযোগ রাখা হয়েছে। নতুন নীতিমালায় ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা ও নিয়ন্ত্রক তদারকির বিষয়েও বেশ কয়েকটি শর্ত আরোপ করা হয়েছে। সুদযুক্ত বৈদেশিক ঋণের ক্ষেত্রে ঋণ-ইকুইটি অনুপাত সর্বোচ্চ ৮০:২০ হতে হবে এবং ঋণগ্রহীতার বৈদেশিক দায় পরিশোধে সন্তোষজনক রেকর্ড থাকতে হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category