দুইবছরের আইনী লড়াই শেষে ছেলের বিরুদ্ধে জয় পান বাবা। উচ্ছেদের রায় নিয়ে ফিরছিলেন বাড়ি। হয়তো ভেবেছিলেন বাকি জীবনটা নিজের হাতে গড়া বাড়িতেই কাটাবেন। মেয়েকে নিয়ে অটেরিকশায় বাড়ি ফিরছিলেন সৈয়দ প্যাটেল। কিন্তু তার ছেলের মনে ছিল অন্য ভাবনা। আদালতের পরাজয়টা মেনে নিতে পারেননি মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভ হিসেবে কাজ করা আব্দুল জাফর। রাস্তার মাঝখানে অটেরিকশা থামিয়ে বাবাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেন তিনি। বাবাকে বাঁচাতে গিয়ে ভাইয়ের আঘাতে আহত হন বোনও। বেচারা সৈয়দ প্যাটেলের আর বাড়ি ফেরা হলো না। পুলিশ আব্দুল জাফরকে গ্রেপ্তার করেছে।
সৈয়দ প্যাটেল হয়তো সন্তানের কথা ভেবেই সম্পদ গড়েছিলেন। সম্পদ গড়তে গিয়ে সন্তানকে নৈতিক শিক্ষা দেয়া, মানুষের মত মানুষ করে গড়ে তোলার সময় হয়তো পাননি। সৈয়দ প্যাটেল সম্পদে বিনিয়োগ না করে যদি সন্তানের পেছনে বিনিয়োগ করতেন তাহলে হয়তো নিজেকে এভাবে বেঘোরে প্রাণ দিতে হতো না, ছেলেকে জেলে যেতে হতো না, মেয়েকে আহত হতে হতো না; পুরো পরিবারটি এভাবে ধ্বংস হতো না।







