ছবি : বর্তমান বাংলাদেশ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারকে শ্রমিক বান্ধব উল্লেখ করে সংসদের সাবেক বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, মাত্র আড়াই মাসে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের লক্ষণই বলে দেয় সরকার ১৫ দিন নয়, ৫ বছরই সাফল্যের সঙ্গে রাষ্ট্র ক্ষমতা পরিচালনা করবে। তিনি বলেন, শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষে সরকার এরইমধ্যে বেশকিছু কার্যক্রম হাতে নিয়েছে।
শনিবার ২রা মে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে আন্তর্জাতিক মে দিবস উপলক্ষে জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এতে সভাপতির বক্তব্যে জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের প্রধান সমন্বয়কারী বীর মুক্তিযোদ্ধা এটিএম গোলাম মাওলা চৌধুরী বলেন, দেশে শ্রমিকের অধিকার নিশ্চিত হলেই দেশের সুষম উন্নয়ন সম্ভব। তিনি বলেন, ১৭ বছর যে দলটি অত্যাচার-অবিচার, নির্যাতন, জেল-জুলুমের শিকার হয়ে মজলুমের পাশে ছিল, সেই দলটি ক্ষমতায় এসেও অসহায় মজলুমের পক্ষেই থাকবে- এমনটাই প্রত্যাশা জনগণের।
জাগপার সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার লুৎফর রহমান বলেন, জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট দেশের সাধারণ শ্রমিকের স্বার্থ রক্ষার জন্য অতীতের ন্যায় আগামীতেও রাজপথে থেকে সোচ্চার ভূমিকা পালন করবে।
বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক পার্টির চেয়ারম্যান ও জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের মুখপাত্র এসএম শাহাদাত বলেন, শ্রমনির্ভর বাংলাদেশে অদক্ষ শ্রমিকের সংখ্যা বেশি। বিপুল এই জনগোষ্ঠিকে প্রশিক্ষিত ও দক্ষ করে সরকারি সহায়তায় বিদেশে পাঠানো গেলে, দেশের অর্থনীতিতে শ্রমিকরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি সাইফুল হক, জোট সমন্বয়কারী ও সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক ডা. সৈয়দ নুরুল ইসলাম, এনপিপির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা, বাংলাদেশ ন্যাপের চেয়ারম্যান এমএন শাওন সাদেকী, মুসলিম লীগের চেয়ারম্যান ব্যরিষ্টার নাসিম খান, এনডিপি চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল হারুন সোহেল, ডিএল এর সাধারণ সম্পাদক খোকন চন্দ্র দাস এবং মহাসচিব জাকির হোসেন রিয়াজ, আবু সৈয়দ,বাংলাদেশ জাগ্রত পার্টির মূখপাত্র কাজী শামসুল ইসলাম, রেজওয়ান মর্তুজা, জামিল আহম্মেদ, আব্দুল বারিক, সাইফুল আলম, সুরাইফুল ইসলাম ও জহির হোসেন প্রমুখ।