সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড কমিটির আয়োজিত এ সভায় আইনমন্ত্রী আরও বলেন, ন্যায়বিচার মানুষের শাশ্বত ও সহজাত অধিকারÑ এ অধিকার নিশ্চিত করতে লিগ্যাল এইড সেবাকে দেশের প্রতিটি মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে হবে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে লিগ্যাল এইডের ধারণা প্রথম আসে ১৯৯৪ সালে। সে সময় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া গরিব ও অসহায় মানুষের আইনি সহায়তার জন্য একটি তহবিল গঠন করেন। ২০২৬ সালে দাঁড়িয়ে সেই উদ্যোগকে আরও বিস্তৃত ও কার্যকর করার লক্ষ্যে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।
বিচার বিভাগের বাজেট বৃদ্ধির প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, এ খাতে বরাদ্দ বাড়ানো জরুরি। বর্তমানে বিচার বিভাগের জন্য প্রায় ২২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রয়েছে, যা প্রয়োজনের তুলনায় কম। লিগ্যাল এইড কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে অতিরিক্ত অর্থায়নের প্রয়োজন হবে বলেও তিনি জানান। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা চলছে এবং ভবিষ্যতে বরাদ্দ বাড়ানোর জন্য তিনি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে উল্লেখ করেন।
সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান বিচারপতি কাজী জিনাত হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন আপিল বিভাগের বিচারপতি ফারাহ মাহবুব, সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন এমপি, অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল, সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী, বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. মনজুরুল হোসেন এবং সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড অফিসার মো. ইমতিয়াজুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি, আইনজীবী, লিগ্যাল এইড কর্মকর্তা এবং বিদেশি উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরাসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।







