শ্রীমঙ্গল ১ নং মির্জাপুর ইউনিয়নে শহরশ্রী প্রবাসীকে কুপিয়ে মারাত্নক ভাবে আহত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এব্যাপারে শ্রীমঙ্গল থানায় একটি মামলা হয়েছে।
অভিযোগে জানাযায়, শ্রীমঙ্গল ভবানপুর আব্দুল হক গংদের সাথে এলাকার রুমান মিয়াদের সাথে পুর্ব শত্রুতা চলে আসছে। গত ১৬ এপ্রিল রুমান মিয়ার ছোট ভাই আলামিন মিয়া দুই মাসের ছুটিতে দেশে এসে মির্জাপুর ইউনিয়নের শহরশ্রী বাজারে আসলে আব্দুল হক ২০/২৫ জন লোক নিয়ে তাকে পুর্ব পরিকল্পিত ভাবে প্রানে হত্যার উদ্দেশ্যে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এ সময় আব্দুল হকের নির্দেশে লুৎফুর মিয়া, মছদ্দর আলী, ওয়াইজুল মিয়া, রিয়াদ মিয়া, অলি মিয়া, আশক মিয়া, সাইফুল মিয়া, হোসাইন মিয়া রাম দা দিয়ে মাথা, ঘাড়, বুক, পিট সহ শরীরে কুপিয়ে মারাত্নক ভাবে জখম করে। এসময় আরও ৮/১০ জন কাঠের রোল, লোহার রড় দিয়ে এলোপাতারি আঘাত করে । স্থানীয় জনতা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা তাকে মৃত ভেবে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে তাকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার সিলেট এমএজি ওসমনী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য প্রেরন করেন।
আহত আলআমিন মিয়ার পিতা আরজদ মিয়া বলেন, তারা বিগত স্বৈরাচার সরকারের সময় এলাকায় ত্রাসের সৃষ্টি করতো। এখনও ওরা স্বৈরাচারী ভুমিকা পালন করছে। এব্যাপারে আমি আইনি কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবী করছি।
ভাই রুমান মিয়া বলেন, পুর্বশত্রুতার জের ধরে আমার ভাইকে তারা পুর্ব পরিকল্পিত ভাবে কুপিয়ে মারাত্নক আহত করে। শরীরের এমন কোন স্থান নেই তারা আঘাত করেনি। মুলত তারা হত্যার উদ্দেশ্যে আমার ভাইকে মেরেছে।
শহরশ্রী বাজারের মক্কা৷ মদিনা স্টোরের মালিক রাজু মিয়া বলেন, আমরা হাল্লাচিৎকার শুনে আলামিনকে মুমূর্ষ অবস্থায় উদ্ধার করি। প্রথমে শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যাই। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে প্রেরন করা হয়।
মির্জাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো: মিছলু আহমেদ চৌধুরী বলেন, ঘটনার পর খবর পেয়ে এসে আহত আলামিনকে দেখেছি। তার অবস্থা অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এমএজি ওসমনী মেডিকের কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করা হয়েছে। ভিকটিমের পরিবার শ্রীমঙ্গল থানায় একটি মামলা করেছে।
শ্রীমঙ্গল থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ জহিরুল ইসলাম মুন্না বলেন, ঘটনার খবর শুনে শ্রীমঙ্গল থানার পুলিশ ঘটনা স্থলে যায়। মামলার বাদীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত পুর্বক মামলা নিয়ে ৯ জন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকীদেরে গ্রেফতার প্রক্রিয়া অব্যাহত আছে।